ব্রেকিং:
নূর চৌধুরীর তথ্য প্রকাশে কানাডার আদালতে বাংলাদেশের পক্ষে রায় আখাউড়ায় শিক্ষকের যৌন হয়রানির প্রতিবাদে সড়কে শিক্ষার্থীরা সরাইলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চারপাশে জুয়া ও মাদকের আসর নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান আখাউড়া উপজেলা ছাত্রলীগে পদ পেতে এ কি শর্ত দিলেন আইনমন্ত্রী! সরাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ১ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ব্রিটেনের প্রধান গির্জায় কোরআন তিলাওয়াতের বিরল ঘটনা স্মার্টফোনের বদলি হিসেবে ‘স্মার্ট গ্লাস’ আনছে ফেসবুক এডিআর বাড়িয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক আওয়ামী লীগের নেতারা দুর্নীতি করলে ছাড় নয়: কাদের জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাবাব ফাতেমা ভাবির পরকীয়া দেখে ফেলায় জীবন দিতে হলো দেবরকে সর্বোচ্চ শক্তি দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে হামলার হুমকি ইরানের বেশি খাস জমি উদ্ধারকারী ডিসিকে পুরস্কৃত করা হবে: ভূমিমন্ত্রী বকেয়া পরিশোধে সময় পাচ্ছে রবি-গ্রামীণফোন ত্রিদেশীয় টি-টোয়েন্টি সিরিজের ফাইনালে বাংলাদেশ স্বর্ণজয়ী রোমান সানার মায়ের চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন প্রধানমন্ত্রী জনগণের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে আন্তরিক সরকার: প্রধানমন্ত্রী আজ থেকে টানা তিন দিনের ছুটিতে আখাউড়া স্থল বন্দর ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শিক্ষার্থী সম্পৃক্তকরণ বিষয়ক কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

বৃহস্পতিবার   ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯   আশ্বিন ৪ ১৪২৬   ১৯ মুহররম ১৪৪১

১৫৯

ডিসেম্বরে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব: মার্শা বার্নিকাট

প্রকাশিত: ১১ ডিসেম্বর ২০১৮  

ঢাকায় মার্কিন রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় ওয়াশিংটনের দুই প্রশাসনের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ডোনাল্ড ট্রাম্প মার্কিন প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নেওয়ার পর দুই দেশের সম্পর্কে কী পরিবর্তন এসেছে কিংবা অন্যভাবে বললে হোয়াইট হাউসে ক্ষমতার পালাবদল দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে কতটা প্রভাব ফেলেছে?

মার্শা বার্নিকাট: শুরুতেই  আমন্ত্রণের জন্য আপনাদের ধন্যবাদ জানাই। এখানে আসাটা আমার কাছে সব সময়ই আনন্দের। বিশ্বাসযোগ্যতার সঙ্গে আপনারা যে কাজটি করেন, আমি এটির বড় ভক্ত। আসলে ওয়াশিংটনে ক্ষমতার পালাবদলে তুলনামূলকভাবে তেমন কোনো পরিবর্তন আসে না। আমাদের যে মূল্যবোধ, সেটা তো আমাদেরই। কাজেই মানবাধিকারের আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের অনুসরণ, বিভিন্ন সরকারের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও বাড়ানো—এ বিষয়গুলোর ক্ষেত্রে প্রশাসনের পরিবর্তন কোনো প্রভাব ফেলে না। আমি অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে জানাতে চাই, নতুন মার্কিন প্রশাসন ইন্দো-প্যাসিফিক স্ট্র্যাটেজিতে যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছে। আমাদের দৃষ্টিতে নানা দিক থেকে এই কৌশলের মধ্যবর্তী অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। এ দেশ দক্ষিণ এশিয়া ও এশিয়ার অন্য অংশের সেতুবন্ধ রচনা করেছে। আর মুক্তবাণিজ্য, একটি স্বচ্ছ এবং সবার জন্য সমান ক্ষেত্র তৈরির সুযোগের যে মূলনীতি এই কৌশলে রয়েছে, তা বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থের পক্ষেই রয়েছে।

ইন্দো-প্যাসিফিক স্ট্র্যাটেজি নিয়ে বাংলাদেশের সর্বশেষ অবস্থান কী?

মার্শা বার্নিকাট: ইন্দো-প্যাসিফিক স্ট্র্যাটেজি একধরনের পদক্ষেপমুখী উদ্যোগ। এটি হচ্ছে একটি শক্তিশালী ভারত ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আমলাতান্ত্রিক, বাণিজ্যিক ও অন্যান্য স্বার্থ সুরক্ষার পদক্ষেপ। ইন্দো-প্যাসিফিক স্ট্র্যাটেজির প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও সম্প্রতি তথ্যপ্রযুক্তি ও অবকাঠামো নির্মাণে মার্কিন বিনিয়োগের কথা বলেছেন। এই বিনিয়োগের চূড়ান্ত লক্ষ্যই হচ্ছে ব্যবসা ও বাণিজ্যের বিকাশ। তবে আমাদের বেসরকারি খাত সরকারের অপেক্ষায় বসে নেই। বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য সম্প্রতি বাংলাদেশের সামিট গ্রুপের সঙ্গে আমাদের জেনারেল ইলেকট্রিকের 
একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে। এই উদ্যোগে তৃতীয় পক্ষ হিসেবে যুক্ত হবে জাপানের মিতসুবিশি। এটি হচ্ছে ইন্দো-প্যাসিফিক স্ট্র্যাটেজির একটি উৎকৃষ্ট দৃষ্টান্ত, যেখানে একটি নয়, যেখানে তিন দেশের তিনটি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশের জ্বালানি চাহিদা মেটাতে যুক্ত হয়েছে।

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া