ব্রেকিং:
শেখ হাসিনায় আস্থা বিএনপি স্থায়ী কমিটির একাংশের খালেদার মুক্তিতে তারেকের অনীহা, হতভম্ব বিএনপি নেতৃবৃন্দ! নিউজ টুয়েন্টিফোরের ১ম বর্ষপূর্তি উদযাপন সরাইলে অবৈধ গাইড বই’র বিরুদ্ধে অভিযান বীর মুক্তিযোদ্ধা ইদ্রিছ মিয়া আর নেই সদর সার্কেলে নতুন অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের যোগদান ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অস্ত্র-মাদকসহ তিনজন গ্রেফতার গাছের চারার মধ্যে গাঁজা পাচারেও শেষ রক্ষা হলো না নারীর টিফিন বক্সে হাজার টাকার মাদক! নদী দূষণ ও দখল প্রতিরোধ বিষয়ক মতবিনিময় হত্যা মামলা তুলে নিতে বাদীর ওপর হামলা সরাইলে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে লাখো মানুষ! ভুল আসামির সাজা খাটার বিষয় খতিয়ে দেখার নির্দেশ বই পাঠ্যসূচি ও পরীক্ষায় বদল আনছে সরকার বন্ধ হয়ে যাচ্ছে দেশের তিন কোটি অবৈধ স্মার্টফোন! ইসলামে ধর্ষণ-হত্যা প্রতিরোধে করণীয় অনূর্ধ্ব-১৯ থেকে মহাতারকা হয়েছেন যারা ‘অন্তঃস্বত্ত্বা’ বুবলীকে ডলার দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র পাঠিয়েছেন শাকিব! দেশপ্রেমীরা দুর্নীতি করে না: পরশ করোনায় মৃতের সংখ্যা দুই হাজার ছাড়ালো
  • বুধবার   ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ||

  • ফাল্গুন ৭ ১৪২৬

  • || ২৪ জমাদিউস সানি ১৪৪১

২৬৬

ডিসেম্বরে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব: মার্শা বার্নিকাট

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া

প্রকাশিত: ১১ ডিসেম্বর ২০১৮  

ঢাকায় মার্কিন রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় ওয়াশিংটনের দুই প্রশাসনের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ডোনাল্ড ট্রাম্প মার্কিন প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নেওয়ার পর দুই দেশের সম্পর্কে কী পরিবর্তন এসেছে কিংবা অন্যভাবে বললে হোয়াইট হাউসে ক্ষমতার পালাবদল দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে কতটা প্রভাব ফেলেছে?

মার্শা বার্নিকাট: শুরুতেই  আমন্ত্রণের জন্য আপনাদের ধন্যবাদ জানাই। এখানে আসাটা আমার কাছে সব সময়ই আনন্দের। বিশ্বাসযোগ্যতার সঙ্গে আপনারা যে কাজটি করেন, আমি এটির বড় ভক্ত। আসলে ওয়াশিংটনে ক্ষমতার পালাবদলে তুলনামূলকভাবে তেমন কোনো পরিবর্তন আসে না। আমাদের যে মূল্যবোধ, সেটা তো আমাদেরই। কাজেই মানবাধিকারের আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের অনুসরণ, বিভিন্ন সরকারের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও বাড়ানো—এ বিষয়গুলোর ক্ষেত্রে প্রশাসনের পরিবর্তন কোনো প্রভাব ফেলে না। আমি অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে জানাতে চাই, নতুন মার্কিন প্রশাসন ইন্দো-প্যাসিফিক স্ট্র্যাটেজিতে যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছে। আমাদের দৃষ্টিতে নানা দিক থেকে এই কৌশলের মধ্যবর্তী অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। এ দেশ দক্ষিণ এশিয়া ও এশিয়ার অন্য অংশের সেতুবন্ধ রচনা করেছে। আর মুক্তবাণিজ্য, একটি স্বচ্ছ এবং সবার জন্য সমান ক্ষেত্র তৈরির সুযোগের যে মূলনীতি এই কৌশলে রয়েছে, তা বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থের পক্ষেই রয়েছে।

ইন্দো-প্যাসিফিক স্ট্র্যাটেজি নিয়ে বাংলাদেশের সর্বশেষ অবস্থান কী?

মার্শা বার্নিকাট: ইন্দো-প্যাসিফিক স্ট্র্যাটেজি একধরনের পদক্ষেপমুখী উদ্যোগ। এটি হচ্ছে একটি শক্তিশালী ভারত ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আমলাতান্ত্রিক, বাণিজ্যিক ও অন্যান্য স্বার্থ সুরক্ষার পদক্ষেপ। ইন্দো-প্যাসিফিক স্ট্র্যাটেজির প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও সম্প্রতি তথ্যপ্রযুক্তি ও অবকাঠামো নির্মাণে মার্কিন বিনিয়োগের কথা বলেছেন। এই বিনিয়োগের চূড়ান্ত লক্ষ্যই হচ্ছে ব্যবসা ও বাণিজ্যের বিকাশ। তবে আমাদের বেসরকারি খাত সরকারের অপেক্ষায় বসে নেই। বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য সম্প্রতি বাংলাদেশের সামিট গ্রুপের সঙ্গে আমাদের জেনারেল ইলেকট্রিকের 
একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে। এই উদ্যোগে তৃতীয় পক্ষ হিসেবে যুক্ত হবে জাপানের মিতসুবিশি। এটি হচ্ছে ইন্দো-প্যাসিফিক স্ট্র্যাটেজির একটি উৎকৃষ্ট দৃষ্টান্ত, যেখানে একটি নয়, যেখানে তিন দেশের তিনটি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশের জ্বালানি চাহিদা মেটাতে যুক্ত হয়েছে।

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
স্বাক্ষাৎকার বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর