ব্রেকিং:
কাজ করতে করতে জীবন শেষ, তবুও শোধ হয় না দাদনের টাকা! একাধিক রিপোর্ট হওয়া সত্ত্বেও পড়ছে না প্রশাসনের সুদৃষ্টি গৃহবধূকে উত্ত্যক্ত করার দায়ে যুবকের কারাদণ্ড গাছে-গাছে সৌরভ ছড়াচ্ছে আমের মুকুল মাদ্রাসার হোস্টেলে ছাত্রীর ঝুলন্ত লাশ! কাতারে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কৃতিত্বপূর্ণ সাফল্য অর্জন চাঞ্চল্যকর রকেট হত্যার ঘটনায় প্রতিবাদ সভা প্রতিবন্ধীদের ভাতা নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ চোরাচালান প্রতিরোধ ও আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত বাবাকে পেটানোর প্রতিশোধ নিতে হত্যাকাণ্ড! সোনা রোদে চোখ মেলেছে সূর্যমুখী এয়ার ফ্রেশনার ব্যবহারে বাড়ছে ক্যান্সারের ঝুঁকি! অপরাধ করে কেউ পার পাবে না: ওবায়দুল কাদের পুরান ঢাকায় ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান, ২০ কোটি টাকা উদ্ধার দেশীয় বেনসন-গোল্ডলিফে মিলল নিকোটিনের চেয়েও ‘মারাত্মক’ উপাদান ক্লাসে ঢুকে নারী শিক্ষকের হাত ভাঙলেন দম্পতি হরিণের চামড়ায় দাঁড়িয়ে সৌম্যের আশীর্বাদ, পড়বেন শাস্তির মুখে! মাদকিবরোধী অভিযানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর হামলা, গাড়ি ভাঙচুর সুইসাইড নোটে কী লিখেছিলেন সালমান শাহ ভালোবেসে বিয়ে করে কারাগারে তরুণ-তরুণী
  • মঙ্গলবার   ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ||

  • ফাল্গুন ১৩ ১৪২৬

  • || ০১ রজব ১৪৪১

১০৪

জীবন রক্ষাকারী চিকিৎসা সিপিআর সম্পর্কে জানুন

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া

প্রকাশিত: ২৯ আগস্ট ২০১৯  

জীবনে চলার পথে নানা রকমের বিপদের সম্মুখীন হতে হয়। তবে সেই বিপদে ঘাবড়ে যাওয়াটা বোকামি। তাই বিপদ এড়াতে কিছু উপায় জেনে রাখা প্রয়োজন। কারো হার্ট অ্যাটাক হলে বা পানিতে ডুবে গেলে বা ইলেক্ট্রিক শক খেলে  ঘাবড়ে না গিয়ে জরুরিভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা হিসেবে তাকে সিপিআর দিতে হবে। এরপর রোগীকে হাসপাতালে নিতে হবে। এটা টিভি, সিনেমায় আমরা অনেকবার দেখেছি।

হার্ট অ্যাটাক, পানিতে ডুবে যাওয়া বা ইলেক্ট্রিক শকের মত বিভিন্ন কারণে শ্বাস বা হৃদস্পন্দন বন্ধ হয়ে গেলে জরুরিভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা হিসেবে সিপিআর দেয়া হয়। আক্রান্ত ব্যক্তিকে সোজা করে শুইয়ে দিয়ে বুকের ওপর হাত দিয়ে চাপ দিতে হয়। এটি বিশ্বব্যাপী বহুল প্রচলিত ও স্বীকৃত।

সিপিআর কি?
কার্ডিও-পালমোনারি রিসাসিটেশন (সিপিআর) হলো একটি জীবন রক্ষাকারী চিকিৎসা কৌশল। সাময়িকভাবে হৃৎপিণ্ড ও ফুসফুসের কাজ কিছু সময় কৃত্রিমভাবে চালিয়ে মস্তিষ্কে রক্ত ও অক্সিজেন সরবরাহ করাকে বলে কার্ডিও-পালমোনারি রিসাসিটেশন বা সিপিআর।

সিপিআর কীভাবে করতে হয়?
ব্যক্তির এক পাশে এসে বুক বরাবর বসে এক হাতের তালুকে বুকের মাঝ বরাবর স্থাপন করতে হবে। তার ওপর অপর হাত স্থাপন করে ওপরের হাতের আঙুল দিয়ে নিচের হাতকে আঁকড়ে ধরতে হবে। হাতের কনুই ভাঁজ না করে সোজাভাবে বুকের ওপর চাপ দিতে হবে। এমন গতিতে চাপ প্রয়োগ করতে হবে যেন প্রতি মিনিটে ১০০-১২০টি চাপ প্রয়োগ করা যায়। এভাবে প্রতি ৩০টি চাপ প্রয়োগের পর আক্রান্তের মুখে মুখ রেখে দুবার ফুঁ দিতে হবে। এমনভাবে চাপ প্রয়োগ করতে হবে যেন বুকের পাঁজর ২ থেকে ২.৫ ইঞ্চি নিচে নামে। যাতে চাপ হৃৎপিণ্ডের ওপর চাপ পড়ে।

হাসপাতালে পৌঁছানোর আগ পর্যন্ত বা জ্ঞান ফিরে আসা অথবা স্বাভাবিক শ্বাস-প্রশ্বাস চালু হওয়া পর্যন্ত একইভাবে সিপিআর চালিয়ে যেতে হবে। জ্ঞান ফিরলে বা শ্বাস-প্রশ্বাস চালু হলে তাকে একপাশে কাত করে শুইয়ে দিতে হবে। এর পর হাসপাতালে নিয়ে পরবর্তী চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে।

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
স্বাস্থ্য বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর