ব্রেকিং:
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় করোনাভাইরাস চিকিৎসায় সেবা কর্ণার স্থাপন বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ দুঃস্থদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ ঝুঁকিপূর্ণ লোহার ব্রিজ দিয়ে চলছে ভারী যানবাহন কক্সবাজার-সেন্টমার্টিনের জাহাজ ভাড়া ১৫ হাজার! স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যা: ১০ আসামির ৮ জনেরই মৃত্যুদণ্ড বহাল ৬ ফেব্রুয়ারি শুরু হচ্ছে বেসিস সফটএক্সপো সেবার মূল্য তালিকা প্রদর্শনের নির্দেশ বাংলাদেশ ব্যাংকের কন্যাকে স্বামী সম্পর্কে উপদেশ... ‘আমি চাই না বাংলাদেশে এ রোগ ছড়াক, তাই দেশে ফিরবো না’ টাইগারদের আর বিশেষ বিমানে পাকিস্তানে পাঠাবে না বিসিবি উদ্বোধনের আগেই দেবে গেছে কোটি টাকার গণমিলনায়তন একনজরে গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ড পেলেন যারা ধর্ষণের রোমহর্ষক বর্ণনা দিলেন তিন ছাত্রী ব‌হিরাগত অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের ঢাকায় আন‌ছে বিএনপি: কা‌দের ভাবির সঙ্গে স্বামীর পরকীয়া, দেখে ফেললেন স্ত্রী! করোনাভাইরাস: বেড়েই চলছে মৃতের সংখ্যা এক ঘরেই ৮৭ নদীর পানি আত্মীয় চুমু দেয়ায় মৃতপ্রায় নবজাতক

বুধবার   ২৯ জানুয়ারি ২০২০   মাঘ ১৫ ১৪২৬   ০৩ জমাদিউস সানি ১৪৪১

৪১

জিনের বাদশা পরিচয়ে টাকা-স্বর্ণ হাতিয়ে নেন তারা

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া

প্রকাশিত: ২৫ নভেম্বর ২০১৯  

জিনের বাদশা পরিচয়ে ধর্মীয় উপদেশ দিয়ে লাখ টাকা হাতিয়ে নিতেন তারা। এরইমধ্যে এক নারীর কাছ থেকে তিন লাখ ৮০ হাজার টাকা ও বিশ ভরি স্বর্ণ হাতিয়ে নেয় চক্রটি। কিন্তু ডিবি পুলিশের হাতে ধরা খেয়ে যান চক্রের তিন সদস্য।

রোববার বিকেলে নারায়ণগঞ্জের ভারপ্রাপ্ত এসপি মো. মনিরুল ইসলাম নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান। এর আগে শনিবার রাতে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জের সাহেবগঞ্জ ও নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতাররা হলেন- গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জের সাহেবগঞ্জ এলাকার হজরত আলী সরকারের ছেলে মুন্নাফ, একই জেলার রামনাথপুর এলাকার জহিরুল ইসলামের ছেলে তৌহিদ ও বোয়ালিয়া প্রধানপাড় এলাকার ধীরন্দ্র নাথের ছেলে শিবু চন্দ্র মহত্ত। তাদের কাছ থেকে বিশ ভরি স্বর্ণ ও প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত একটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।

এসপি মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, ১৯ থেকে ২৮ জুলাই পর্যন্ত জিনের বাদশা পরিচয়ে মনোয়ারা বেগমের কাছ থেকে তিন লাখ ৮০ হাজার টাকা বিকাশের মাধ্যমে নেন গ্রেফতাররা। এছাড়া একই নারীর কাছ থেকে বিভিন্ন মাধ্যমে ২০ ভরি স্বর্ণালংকার হাতিয়ে নেয়। এ সময় তারা মনোয়ারাকে ধর্মীয় উপেদশ দিতেন। এ ঘটনায় মনোয়ারার ছেলে ডা. মো. মাহমুদুল ইসলাম ১০ অক্টোবর ফতুল্লা মডেল থানায় অজ্ঞাত কয়েকজনের নামে মামলা করেন।

এসপি মনিরুল আরো বলেন, মামলার পর তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে মুন্নাফকে প্রথমে গ্রেফতার করা হয়। তার কাছ থেকে প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত মোবাইল উদ্ধার করা হয়। তার দেয়া তথ্যমতে বন্দর উপজেলার মদনপুর এলাকা থেকে তৌহিদকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি এ চক্রের মূলহোতা। পরে গোবিন্দগঞ্জের বোয়ালিয়া প্রধানপাড় এলাকা থেকে শিবু চন্দ্র মহত্তকে গ্রেফতার করা হয়।

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
এই বিভাগের আরো খবর