ব্রেকিং:
শীতার্তদের পাশে সংবাদপত্র কর্মীরা স্বাস্থ্য সেবা হচ্ছে মানবতার প্রধান উৎস মাদকমুক্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়া গড়তে ‘আলোর সিঁড়ি’র ব্যতিক্রমী উদ্যোগ কাদিয়ানিদের অমুসলিম ঘোষনার দাবিতে বিক্ষোভ মাদকাসক্ত স্বামীকে পুলিশে দিলেন স্ত্রী ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পারাবত এক্সপ্রেস ট্রেন আগুন শেখ হাসিনা সড়কে ব্রিজের নির্মাণকাজ পরিদর্শন বিশ্ববিখ্যাত ইনটেলের চেয়ারম্যান হলেন বাংলাদেশি ওমর ইশরাক পবিত্র জুমাবারের সুন্নতগুলো জেনে নিন ছড়িয়ে যাচ্ছে করোনাভাইরাস, সৌদিতে ভারতীয় আক্রান্ত পাকিস্তানকে হারাতে আজ মাঠে নামবে টাইগাররা রোহিঙ্গা গণহত্যা: মিয়ানমারের বিরুদ্ধে চার আদেশ ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থান দিবস আজ মাদরাসায় এক কেজি মুড়ির বিল ১৪ হাজার ৮৮০ টাকা! সেনাবাহিনীর শীতকালীন মহড়া প্রত্যক্ষ করেন প্রধানমন্ত্রী আজিজুল হকের মায়ের মৃত্যুতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের শোক সরকারি নির্মাণাধীন বাসগৃহ পরিদর্শন করেন ইউএনও মৎস্য ব্যবসায়ীদের বাজার বর্জন বাজার ব্যবস্থাপনা ও সংস্কার কাজ পরিদর্শন আকস্মিক কলেজ পরিদর্শনে জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী

শনিবার   ২৫ জানুয়ারি ২০২০   মাঘ ১১ ১৪২৬   ২৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১

১০১

জন্মদিন নাকি জাতীয় পুলিশ সপ্তাহ উদযাপন এ নিয়ে ধুম্রজাল!

প্রকাশিত: ১২ জানুয়ারি ২০২০  

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া থানায় জাতীয় পুলিশ সপ্তাহ-২০২০ উপলক্ষে গত মঙ্গলবার সর্বস্তরের জনতার উপস্থিতিতে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিলো তবে জন্মদিন উপলক্ষে কোন মাইক বাজানো হয়নি এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে শুধু সাউন্ড সিস্টেম ব্যবহার করা হয়েছিল বলে দাবি করলেন আখাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জনাব রসূল আহমেদ নিজামী।

এ বিষয়ে আখাউড়া থানার ওসি (তদন্ত) জনাব আরিফুল আমিন বলেন, জাতীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে আমরা পুলিশ সপ্তাহ উপলক্ষে ছোট্ট পরিসরে থানা ভবনের মিলনায়তনে আলোচনা সভা ও ছোট্ট শিশু কিশোরদের অংশগ্রহণে একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। তিনি দাবি করেন পুলিশ সপ্তাহ পালন করার সময় অনুষ্ঠানস্থলে কোন জন্মদিনের কেক কাটা হয়নি, একটি মহল ভুল তথ্য দিয়ে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে এটা দুঃখজনক ও অনাকাঙ্ক্ষিত, ভুল বিভ্রান্তি নয় সত্যটা প্রচারের আহ্বান জানাচ্ছি, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শেষে রাতের বেলায় নিরিবিলি পরিবেশে স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিগণ এর ব্যক্তিগত উদ্যোগে কেক নিয়ে এসে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মহোদয় কে কেক কেটে খাইয়ে যান যদিও তিনি প্রস্তুত ছিলেন না।

আখাউড়া পৌর যুবলীগের সভাপতি জনাব মনির খান বলেন, ঐদিন পুলিশ সাপ্তাহ শেষ দিন থানা পুলিশের উদ্যেগে শিশু কিশোরদের নিয়ে সংস্কৃতি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

আমরা ফেইসবুকে দেখলাম ওসি রসুল আহমেদ নিজামী সাহেব এর জম্ম দিন । ঐদিনই তখন আমি আব্দুল মমিন বাবুল ভাই কাউসার ভাই একটা কেক নিয়ে থানায় গেলাম  উইশ করার জন্য। তখন ওসি সাহেব থানায় ছিলেন না। আধাঘণ্টা উনার রুমে বসার পর তিনি থানায় আসেন। এরপর কেক দেখে তিনি চমকে উঠে এবং বলে আমার জম্ম দিন আমি জানিনা আপনারা কেক নিয়ে আসলেন আমি কোন সময় জম্ম দিন পালন করিনি সরি আপনারা এসেছেন আমি খুশি কিন্তু কেক কাটতে পারবোনা। তখন থানায় আসেন পৌর মেয়র কাজল ভাই, উপজেলা চেয়ারম্যান কাসেম মামা। তারা আমাদের আয়োজন দেখে তারাও ওসি সাহেব কে অনুরোধ করল তখন ওসি সাহেব শর্ত দিলেন কোন প্রকার ছবি বা অন্য কিছু করা যাবে না। এর পর আমরা কেক কাটলাম। পরে দেখা গেল অনেকের ফেইসবুকেই জম্ম দিনের ছবি পোস্ট করেছ। যদি আমরা জানতাম এটা নিয়ে নেতিবাচক সমালোচনা হবে তাহলে আমরা এটা কখনোই করতাম না।

আখাউড়া পৌরসভার মেয়র জনাব তাকজিল খলিফা কাজল মোবাইল ফোনে জানান, আজকাল সব সাংবাদিকদের কথা মানুষ কেন বিশ্বাস করতে চায় না তার কারণ হলো মাঝেমধ্যে উনারা ডাহা মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়ায়, এটা দুঃখজনক। তিনি আরো বলেন , পুলিশ সপ্তাহ অনুষ্ঠান শেষে দেখি, যুবলীগ নেতৃবৃন্দ মনির খান, আব্দুল মুমিন বাবুল, কাউসার কেক নিয়ে এসেছে বিষয়টা আমি জানতে চাইলাম তাদের কাছে তখন থানার ওসি তদন্ত আরিফুল আমিন সাহেব বলছেন আজ স্যারের জন্মদিন , তখন আমার সময় নেই চলে যেতে চাইলেও আমার সকল ভাই ব্রাদার নেতাকর্মীর অনুরোধে রাজি হই। কিন্তু ওসি সাহেব থানায় উনা অফিসে ছিলেন না একটু পরে আসলেন আমরা তখন জন্মদিন পালন করার কথা জানালে তিনি বলেন আমি জীবনে কোনদিন জন্মদিন পালন করিনি। তখন তিনি শর্ত দেন শুধু কেক কেটে খাওয়া যাবে তবে আর অন্য কিছু করা যাবে না।

পরে আমরা ১৫ মিনিটের ভিতরেই থানা থেকে চলে আসি তখন কোন মাইক বাজানো হয়নি বা সাউন্ড সিস্টেম বাজানো হয়নি। যারা এটা বলছেন এটা ডাহা মিথ্যা কথা।

যোগাযোগ করা হলে আখাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জনাব রসুল আহমেদ নিজামী প্রতিবেদক কে ফোনে বলেন, আমার জীবনে কোনদিন জন্মদিন পালন করিনি যারা আমার সম্পর্কে বিস্তারিত না জেনেই ভুল বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন আল্লাহ যেন তাদের বিচার করেন , আমার জন্মদিন পালনে থানা পুলিশের পক্ষ থেকে কোন আয়োজন ছিল না। আমি বাহিরে ছিলাম থানায় এসে দেখি আখাউড়ার নেতৃস্থানীয় কয়েকজন গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উনাদের নিজ উদ্যোগে কেক নিয়ে এসে জন্মদিন পালন করবেন বলে আমাকে জানান। প্রথমে আমি প্রস্তুত না থাকলেও মানবিক বিবেচনায় শুধু কেক কাটা হয়েছে। এখানে মাইক বাজানোর তো প্রশ্নই আসে না। উনারা সেটা প্রমাণ করুক । এসময় তিনি আরও বলেন বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করুন আমি সব গণমাধ্যম ব্যক্তি কে সম্মান করি কিন্তু তাই বলে এভাবে ভুল বিভ্রান্তি ছড়াবেন না দয়া করে।

উল্লেখ্য যে, আখাউড়া থানার ওসি মাইক বাজিয়ে জন্মদিন পালন এই শিরোনামে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হয় এর পর এ নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে আলোচনা-সমালোচনা সৃষ্টি হয় ।

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
এই বিভাগের আরো খবর