ব্রেকিং:
প্রতিদিন কয়েকবার গরম পানির ভাপ নিয়েছি করোনায় ব্যতিক্রমী উদ্যোগ এমপিওভুক্তির সুখবর পেল ১৬৩৩ স্কুল-কলেজ ২০ হাজারের বেশি আইসোলেশন শয্যা প্রস্তুত রয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছে মানুষ, দৃষ্টান্ত স্থাপন করে চলেছে বৈশ্বিক ক্রয়াদেশ পূরণে সক্ষম বাংলাদেশ ॥ শেখ হাসিনা লোকসান ঠেকাতে সরাসরি ক্ষেত থেকে সবজি কিনছে সেনাবাহিনী করোনা পরীক্ষায় দেশে চালু হলো প্রথম বেসরকারি ল্যাব যে দোয়ার আমলে স্মরণশক্তি বৃদ্ধি পাবে ইনশাআল্লাহ! আল্লাহ তিন ধরনের লোকের দোয়া ফিরিয়ে দেন না করোনা রোগীদের বাড়ি প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপহার ভেন্টিলেটর-সিসিইউ স্থাপনে জরুরি প্রকল্প বঙ্গবন্ধুর মতো নেতা পৃথিবীতে খুব কম দেখা যায়: ট্রাম্প গবেষণা প্রটোকল জমা না দিয়েই বিষোদগার করছেন জাফরুল্লাহ জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচিতে নিয়োগ করোনা আক্রান্তের শরীরের অক্সিজেনের পরিমাণ ঘরেই পরীক্ষার উপায় মধ্যবিত্তরাও খাদ্যসহায়তার আওতায়: শিল্প প্রতিমন্ত্রী কর্মস্থল ত্যাগকারীদের তালিকা চায় মন্ত্রণালয় নাসিরনগরে শিশু নিহতের ঘটনায় গ্রেফতার ২ দেশে ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড সংখ্যক আক্রান্ত, আরো ৮ মৃত্যু
  • মঙ্গলবার   ০২ জুন ২০২০ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ২০ ১৪২৭

  • || ১০ শাওয়াল ১৪৪১

৭৮

চুইংগাম অসাবধানতাবশত গিলে ফেললে কি মারাত্মক বিপদ?

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া

প্রকাশিত: ৮ অক্টোবর ২০১৯  

চুইংগাম আসলে চুইং বা চিবানোর জন্য। খাওয়ার জন্য না। তারপরও মাঝে মধ্যে অনেকেই চুইংগাম অসাবধানতাবশত গিলে ফেলে। জানেন কি, চুইংগাম কীভাবে তৈরি করা হয়? 

সাধারণত এটি তৈরি হয় গাম বেস, চিনি, ফ্লেভার আর রং দিয়ে। তবে চুইংগাম গিলে ফেললে এটা নিয়ে এতোটা চিন্তা করার তেমন কিছুই নেই। কারণ অন্যসব খাবারের অবশিষ্টাংশের সঙ্গে এই চুইংগামও বেরিয়ে আসে বেশকিছু সময় পর।

অনেকেই বলে থাকেন, চুইংগাম পেটে সাত সাতটা বছর বসে থাকে! এসব পুরোপুরি ভুয়া তথ্য। চুইংগামে যেহেতু চিনি আর ফুডগ্রেড কালার আর ফ্লেভার থাকে সেগুলো আস্তে আস্তে আমাদের পরিপাকতন্ত্রের বিভিন্ন প্রক্রিয়া আর এনজাইমের প্রভাবে পরিপাক হয়ে যায়। 

বাকি থেকে যায় শুধু গামটা। এই গামটা তখন আর তেমন আঠালো থাকে না যে এটা পরিপাক হওয়ার সময় কোনো স্থানে আটকে যাবে। এর কারণ হলো পরিপাকতন্ত্র সবসময়ই চেষ্টা করে গলা দিয়ে নামা সব জিনিসই পরিপাক করতে। যার কারণে গামের আটকে যাওয়ার ক্ষমতাটা ততটা কার্যকরী থাকে না আর।

এরপরও গামটা আস্ত থাকার কারণে এটি ধীর গতিতে আস্তে আস্তে খাদ্যনালী অতিক্রম করে পাকস্থলী, সেখান থেকে ক্ষুদ্রান্তের বিভিন্ন অংশে অর্থাৎ ডিওডেনাম, জেজুনাম আর তারপর ইলিয়াম অতিক্রম করে। তারপর প্রবেশ করে বৃহদন্ত্রে।

পুরো বৃহদন্ত্র ঘুরে বেড়ানো শেষ হলে কোলনের শেষে মলাশয়ে এসে উপস্থিত হয়। সবশেষে মল ত্যাগের সময় বের হয়ে যায়। সাধারণত চুইংগাম গিলে ফেলার ২ থেকে ৩ দিন পর এটা বের হয়ে যায়। তবে হ্যাঁ, এটা পেটে থাকা অবস্থায় গোলযোগ সৃষ্টি আর বদহজম হওয়া স্বাভাবিক। কারণ এতে স্বাভাবিকভাবে পরিপাক কার্যক্রম ব্যাহত হয়। 

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
স্বাস্থ্য বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর