ব্রেকিং:
প্রতিদিন কয়েকবার গরম পানির ভাপ নিয়েছি করোনায় ব্যতিক্রমী উদ্যোগ এমপিওভুক্তির সুখবর পেল ১৬৩৩ স্কুল-কলেজ ২০ হাজারের বেশি আইসোলেশন শয্যা প্রস্তুত রয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছে মানুষ, দৃষ্টান্ত স্থাপন করে চলেছে বৈশ্বিক ক্রয়াদেশ পূরণে সক্ষম বাংলাদেশ ॥ শেখ হাসিনা লোকসান ঠেকাতে সরাসরি ক্ষেত থেকে সবজি কিনছে সেনাবাহিনী করোনা পরীক্ষায় দেশে চালু হলো প্রথম বেসরকারি ল্যাব যে দোয়ার আমলে স্মরণশক্তি বৃদ্ধি পাবে ইনশাআল্লাহ! আল্লাহ তিন ধরনের লোকের দোয়া ফিরিয়ে দেন না করোনা রোগীদের বাড়ি প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপহার ভেন্টিলেটর-সিসিইউ স্থাপনে জরুরি প্রকল্প বঙ্গবন্ধুর মতো নেতা পৃথিবীতে খুব কম দেখা যায়: ট্রাম্প গবেষণা প্রটোকল জমা না দিয়েই বিষোদগার করছেন জাফরুল্লাহ জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচিতে নিয়োগ করোনা আক্রান্তের শরীরের অক্সিজেনের পরিমাণ ঘরেই পরীক্ষার উপায় মধ্যবিত্তরাও খাদ্যসহায়তার আওতায়: শিল্প প্রতিমন্ত্রী কর্মস্থল ত্যাগকারীদের তালিকা চায় মন্ত্রণালয় নাসিরনগরে শিশু নিহতের ঘটনায় গ্রেফতার ২ দেশে ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড সংখ্যক আক্রান্ত, আরো ৮ মৃত্যু
  • মঙ্গলবার   ১৪ জুলাই ২০২০ ||

  • আষাঢ় ৩০ ১৪২৭

  • || ২২ জ্বিলকদ ১৪৪১

৫১০

চাতাল শ্রমিকদের ঝড়ে পড়া শিশুদের জন্য ডে-কেয়ার সেন্টার

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া

প্রকাশিত: ১ মার্চ ২০২০  

দেশের পূর্বাঞ্চলীয় বৃহত্তর ধান ও চালের মোকাম আশুগঞ্জে রয়েছে প্রায় ৪শতাধিক চাতালকল। এখানে নিয়োজিত আছে প্রায় ২০ সহস্রাধিক নারী ও পুরুষ চাতাল শ্রমিক। যারা দিনে-রাতে কাজ করে ধান থেকে চাল উৎপাদন করেন। এই সকল চাতাল কলগুলো থেকে প্রতিদিন ৩০/৩৫ হাজার টন চাল দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করা হচ্ছে। এই চাতাল কলগুলোতে ধান সিদ্ধ করা থেকে শুরু করে চাল বস্তাবন্ধী করা পর্যন্ত সকল কাজ করতে হয় শ্রমিকদের।

সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়,১৯৮৪ সালের প্রথম দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলায় চাতাল কলের গোড়াপত্তন শুরু হয়। পরবর্তীতে সড়ক, রেল ও নৌপথে যোগাযোগ সহজ ও অবকাঠামোগত বিবিধ সুযোগ-সুবিধার কারণে এখানে এই শিল্পের দ্রুত প্রসার ঘটে। এছাড়াও এখানে দেশের অন্যতম পাওয়ার হাব খ্যাত বৃহত্তম আশুগঞ্জ তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও গ্যাসের সহজলভ্যতার ফলে চাতালকল স্থাপন দিনে দিনে আরও বৃদ্ধি পেতে থাকে। প্রতি বছর এসব চাতাল কলে কর্মরত শ্রমিকদের সন্তানরা শিক্ষা সুবিধা থেকে ক্রমান্বয়ে ঝড়ে পড়ছে।

প্রতিদিন ভোরে ঘুম থেকে উঠে কাজের খোঁজে ছোটা শিশু হলেও পরিবারের প্রয়োজন মেটানোর তাগিদে দিনের বেশির ভাগ সময়টা তাদের ব্যয় হয় পিতা মাতার সাথে চাতালকলে কাজ করে।

সারাদিনে যা জোটে তাই দিয়ে বাবা-মায়ের সংসারে স্বচ্ছলতা ফিরিয়ে আনার চেষ্টা তাদের। কিন্তু সারাদিন কাজের পরও লেখাপড়ার প্রতি অদম্য স্পৃহা তাদের কাছে গুরুত্বের।জানা যায়, ২০১২ সালে তৎকালীন জেলা প্রশাসক আবদুল মান্নান চাতাল শ্রমিকদের সন্তানদের জন্য নির্মিত করেন ডে-কেয়ার সেন্টার-কাম প্রাইমারি স্কুল। এই স্কুলের শিশু শ্রেণি থেকে দ্বিতীয় শ্রেণি পর্যন্ত বর্তমানে ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা ১২০ জন চাতাল কলে ঝড়েপড়া শিশুদের শিক্ষার স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনার জন্য স্থানীয়ভাবে আশুগঞ্জ উপজেলা শহরের সোনারামপুরে কয়েকটি কক্ষ নিয়ে এর কার্যক্রম শুরু করা হয়।

তাই প্রতিদিন সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত বই খাতা নিয়ে স্কুলে আসা। স্কুল শেষে আবার পিতা মাতার সাথে কাজে যোগ দেওয়া। তাই কেউ তাদের জোর করে নয়, এখন নিজের ইচ্ছায় তারা সময় মতো স্কুলে আসেন। এই স্কুলে আসা শিক্ষার্থীরাও জানালেন তারা লেখাপড়া শিখতে চান। তাদের এই স্কুলের সাথে বিনোদনের জন্য ডে-কেয়ার সেন্টারও স্থাপন করা হয়েছে।

আশুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. নাজিমুল হায়দার জানান চাতাল শ্রমিকদের সন্তানদের জন্য এই বিদ্যালয়টি তৈরী করা হয়েছে। যত দিন যাচ্ছে শিক্ষার্থীও বাড়ছে। পাশপাশি বিদ্যালয়ের শ্রেণি বৃদ্ধির বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর