ব্রেকিং:
‘আল্লাহর দল’র টার্গেটে ছিল পিলখানার ঘটনায় চাকরিচ্যুতরা আমি চাই সবার সঙ্গে মিশতে: প্রধানমন্ত্রী পানিতে তলিয়ে যেতে পারে জাকার্তা, বাঁচানোর কোনো উপায় নেই! সাত সপ্তাহ পর মন্ত্রিসভার বৈঠক রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন যেকোনো সময়: পররাষ্ট্র সচিব এডিস মশার বিরুদ্ধে ঢাকা উত্তরে ‘চিরুনি অভিযান’ সুস্থ হয়ে ফিরেছেন ৮৬ শতাংশ ডেঙ্গু রোগী ১০৯ নম্বরে ফোন পেয়ে বাল্যবিয়ে বন্ধ করেছে উপজেলা প্রশাসন স্বাধীনতা বিরোধীরা এখনো ষড়যন্ত্র করছে: আইনমন্ত্রী কর্মসৃজন প্রকল্পে দুর্নীতি, ২১ জেলায় দুদকের অভিযান ৯৯৯ এ ফোন করে উদ্ধার হলেন ২০০ লঞ্চ যাত্রী পাকিস্তানকে ছাড়িয়ে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি পশু কোরবানি বাংলাদেশে বন্যাদুর্গতদের পুনর্বাসনে রয়েছে ১২০ কোটি টাকা বরাদ্দ ঘুষদাতার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী হুজুর সেজে ধর্ষককে ধরলেন পুলিশ কর্মকর্তা বিয়ের অনুষ্ঠানে বোমা হামলা, নিহত বেড়ে ৬৩ ইন্দোনেশিয়া ও ফিলিপাইনের রমণীদের পছন্দ বাংলাদেশি ছেলে রোহিঙ্গা নির্যাতন তদন্তে ঢাকায় মিয়ানমারের তদন্ত দল ‘এখনো ষড়যন্ত্র চলছে, বাতাসে চক্রান্তের গন্ধ’ টাইগারদের হেড কোচ হলেন রাসেল ডমিঙ্গো

সোমবার   ১৯ আগস্ট ২০১৯   ভাদ্র ৪ ১৪২৬   ১৭ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০

১১৪৩

চকবাজারে অগ্নিকাণ্ডে অক্ষত কোরআন-হাদিসের বই

প্রকাশিত: ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৯  

পুরোনো ঢাকার চুড়িহাট্টায় হাজী ওয়াহেদ ম্যানশনে আগুনের ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৬৭ জন নিহত হয়েছেন। আগুনে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয় চারতলা ওয়াহেদ ম্যানশন। তবে আগুনে ওয়াহেদ ম্যানশনসহ পাঁচটি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হলেও পাশেরই চুড়িহাট্টা শাহী মসজিদের কিছুই হয়নি।

আগুনে ওয়াহেদ ম্যানশনের ভেতরে থাকা সব আসবাবপত্র পুড়ে কয়লা হলেও অক্ষত থাকে ভবনের দোতলার একটি ফ্ল্যাটের একটি কক্ষে রাখা পবিত্র কোরআন শরিফ ও হাদিসের গ্রন্থসহ অন্য বইগুলো।

এছাড়া ওয়াহেদ ম্যানশনের পাশেই রাজমনি হোটেলের সামনের শাটার, হাড়িপাতিল ও আসবাবপত্র পুড়ে গেলেও পুরোপুরি অক্ষত ছিল হোটেলে প্রবেশদ্বারের ওপরে লেখা কালেমা তৈয়্যবা ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ (সা.)’।

সকালে ওয়াহেদ ম্যানশনে গিয়ে দেখা যায়, ভবনটির নিচতলা থেকে শুরু করে প্রতিটি ফ্লোরই আগুনে পুড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কিন্তু নিচতলার একটি গোডাউনে এখনো প্রচুর পরিমাণে রাসায়নিক পদার্থ অক্ষত অবস্থায় মজুদ রয়ে গেছে। ভবনের সব ফ্লোরে আগুনের ভয়াবহতার চিহ্ন, ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে গোটা ভবনটি। 

তাছাড়া সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠতে গেলে দেখা যায়, আগুনে পোড়া জিনিসপত্রগুলো ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। রান্নাঘরে চুলার উপরে থাকা হাঁড়ি-কড়াই সব পুড়ে কয়লা হয়ে আছে, খাবার ঘরে টেবিলে রাখা জগ, গ্লাস, প্লেট সবই পুড়ে গেছে।

ওয়াহেদ ভবনের প্রতিটি ফ্লোরের রুমগুলো আগুনে পুড়ে কয়লা হলেও দ্বিতীয় তলার একটি কক্ষে রাখা অনেকগুলো কোরআন শরিফ ও হাদিসের বইসহ সব বই আছে পুরোপুরি অক্ষত। বিস্ময়ের ব্যাপার হলো যে ভবনের ভেতর-বাইরে সব পুড়ে কয়লা, এমনকি আশপাশের ভবনও সেখানে খোদ ভবনের ভেতরেই অক্ষত আছে পবিত্র কোরআন-হাদিসের বইগুলো! সেখানে থাকা একটি বইও আগুন স্পর্শ করেনি।

কোরআন ও হাদিসের বই সাজিয়ে রাখা কক্ষটিতে থাকা কয়েকটি চেয়ার এবং ছোট টেবিল পুড়ে কয়লা হয়ে আছে, কিন্তু বুক সেলফ ও বইগুলো আছে ঠিক আগের মতো সাজানো গুছানো! দেখে মনে হবে এখানে যেন কোনো কিছুই হয়নি।

এ ঘটনায় আজিজ মিয়া নামে স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, পুরো একটা ভবন পুড়ে ছাই হয়ে গেলো অথচ সেখানে থাকা কোরআন-হাদিসের কিছুই হলো না, এটা আল্লাহর অশেষ রহমত ছাড়া আর কিছু নয়।

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া