ব্রেকিং:
পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষনা ২৬ অক্টোবর গ্রাহক সেবায় পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির উঠান বৈঠক ওসির হাতে রজনীগন্ধা চালকের মুখে হাসি দালাল নির্মূলে জেলা প্রশাসনের বিশেষ অভিযান অজ্ঞাত ব্যক্তির অর্ধ-গলিত লাশ উদ্ধার ৪ কেজি চালের দামে ১ কেজি পেঁয়াজ! মিড ডে মিলের টিফিন বক্স বিতরণ ড্রেজার ব্যবহারে হুমকীর মুখে মহাসড়ক নারীদের স্বাবলম্বী করতে ছাগল বিতরণ ‘জীবনের আগে জীবিকা নয়, সড়ক দূর্ঘটনা আর নয়’ হেফাজতে ইসলামের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ ট্রাফিক সেবায় নতুন মাত্রা যোগ ওটিটি প্লাটফর্ম ব্লেসবিট তৈরির স্বীকৃতি পেল টিকন বাঘের দেশের সমুদ্র সৈকত শিশুদের কৃমি হবার কারণ, লক্ষণ ও প্রতিরোধে করণীয় এক মিনিটেই খোলা যাবে ‘নগদ’ অ্যাকাউন্ট কেটে গেছে? জেনে নিন রক্তপাত বন্ধের সহজ উপায় মানসিক অসুস্থ আব্দুল্লাহ মুখস্ত করলেন পুরো কোরআন! (ভিডিও) মুখোমুখি ক্রিকেটার-বিসিবি, লাভ কার? সুস্মিতা সেন আজ ঢাকায় আসছেন

বৃহস্পতিবার   ২৪ অক্টোবর ২০১৯   কার্তিক ৮ ১৪২৬   ২৪ সফর ১৪৪১

১২০৭

‘খুনিরা আটক না হওয়া পর্যন্ত কবর জিয়ারত করব না’

প্রকাশিত: ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯  

অপেক্ষায় কেটেছে সাতটি বছর। এতগুলো বছরে একবারও যাননি ছেলের কবরের পাশে। এভাবে আর কত বছর কাটাবেন সাংবাদিক সাগর সরওয়ারের মা সালেহা মনির। জানালেন, যতদিন আমার ছেলে ও বউয়ের হত্যাকারীরা আটক হবে না, ততদিন আমি তাদের কবর জিয়ারতে যাব না।সাগর-রুনি হত্যাকারীরা আটক না হওয়ায় হতাশা ব্যক্ত করেন তিনি। সালেহা মনির বলেন, তদন্ত কর্মকর্তারা বার বার আমার কাছে এসে জানতে চায় আমি কাউকে সন্দেহ করি কিনা। আমি প্রতিবারই তাদের বলেছি, আপনাদেরই তো আমাকে জানানোর কথা- কারা কী কারণে আমার ছেলে ও বউকে হত্যা করল?

২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাতে রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারের ভাড়া বাসায় নৃশংসভাবে হত্যা করা হয় মাছরাঙা টেলিভিশনের যুগ্ম বার্তা সম্পাদক সাগর সরওয়ার এবং এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনিকে। 

সোমবার (১১ ফেব্রুয়ারি) এই সাংবাদিক দম্পতির সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকী পূর্ণ হল। আসামিদের গ্রেফতারের ব্যাপারে নানা সময় মামলার তদন্তের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা অনেক আশ্বাস দিলেও সে আশ্বাসে চলে গেছে সাতটি বছর। 

মা সালেহা মনির বলেন, সাতটি বছর ধরে টেলিভিশনের ব্রেকিং নিউজে চোখ রাখছি। মাঝে মাঝেই আঁতকে উঠি, এই বুঝি হত্যাকারীদের আটকের খবর এলো। বাড়ির সামনে পুলিশ-র‌্যাবের গাড়ি থামলেই মনে হয় যেন হত্যাকারীদের আটকের সংবাদ নিয়ে এলো ওরা। এভাবেই সাত বছর ধরে অপেক্ষা করছি।

এই মামলার সন্দেহভাজন নিয়ে তিনি বলেন, আমার চেয়ে এই মামলার বাদী রুনীর ভাই নওশাদই ভালো বলতে পারবেন। যাকে তাকে ধরে নিয়ে মামলায় জড়ানোর চেষ্টা হচ্ছিল বলে, আমি এর প্রতিবাদও করেছি। 

এসময় ক্ষোভের সঙ্গে সাহেলা মনির বলেন, মৃত্যুর আগে আমি ছেলে আর বউয়ের হত্যাকারীদের আটকের খবর শুনে যেতে পারব কিনা, জানি না।

গত ছয় বছরের নানা অভিজ্ঞতায় হতাশা ব্যক্ত করে তিনি বলেন, আমার ছেলের সঙ্গে কারো শত্রুতা ছিল না। রুনির মা তো তার মেয়ের সঙ্গেই থাকতেন, সেই রাতে তিনি কি ওই বাড়িতে ছিলেন না? যদি না থেকে থাকেন, তবে কেন তিনি ওই দিন ছিলেন না? এটা বের করা প্রয়োজন।

সালেহা মনির বলেন, ওই ফ্ল্যাটে কারা আসে, কারা যায়- তার সবই তো নিরাপত্তা কর্মীরা লিখে রাখে। আর এত রাত পর্যন্ত নিশ্চয়ই তাদের মেহমান অপরিচিত কেউ ছিল না। 

এই হত্যাকাণ্ডকে চুরি-ডাকাতির ঘটনা বানানোর চেষ্টা করা হচ্ছে অভিযোগ করে তিনি প্রশ্ন রাখেন, কোন চোর-ডাকাত কী ওই ঘরের চাকু-বটি দিয়ে হত্যা করতে আসবে? আর যে গ্রিল কেটে চুরির ঘটনা দেখানো হচ্ছে, সেটা দিয়ে কি মানুষ ঢুকতে পারবে?

ময়নাতদন্তে চিকিৎসক দেখেছেন, তারা কি খাওয়া-দাওয়া করেছেন, তাদের পাকস্থলিতে কি কি পাওয়া গেছে, হত্যার কারণ নির্ণয়ের পরও আমার সন্তানদের মরদেহ আবার কবর থেকে তুলে ময়নাতদন্ত করা হয়েছে। এতে আমি খুব কষ্ট পেয়েছি। যারা হত্যা করেছে, সেই হত্যাকারীদের ধরার বদলে তদন্তকারী দল শুধু হত্যা কিভাবে হল, সেদিকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। কেন এটা করা হচ্ছে, তা আমার বোধগম্য নয়।

সাগরের মা সালেহা মনির প্রশ্ন রেখে বলেন, হত্যাকারীরা কত শক্তিশালী, যে এতদিন তারা ধরা-ছোঁয়ার বাইরে রয়েছে?

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
এই বিভাগের আরো খবর