ব্রেকিং:
টিউশনির টাকায় গুজবের বিরুদ্ধে ৩১ দিন হাঁটলেন সাইফুল কন্ডিশনিং ক্যাম্পেই যাত্রা শুরু নতুন দুই কোচের প্রথম সমকামী ক্রিকেটার হিসেবে মা হচ্ছেন স্যাটারওয়েট তারেকের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি কাদেরের স্মার্ট কার্ড অনলাইনে সংশোধন করবেন যেভাবে একজনের কিডনি ও লিভারে বাঁচলো তিনজনের প্রাণ পিতলের পুতুলকে সোনার মূর্তি বলে বিক্রি করে, চার জীনের বাদশা আটক বাংলাদেশ ও ইন্দোনেশিয়ার সেনাপ্রধানদের সৌজন্য সাক্ষাৎ প্রধানমন্ত্রীকে ভারত সফরে মোদির আমন্ত্রণ বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার মান নিশ্চিত করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আজ ভয়াল ২১ আগস্ট পানিবণ্টন সমস্যার সমাধান হবে: জয়শঙ্কর কুকুরের মুখ থেকে নবজাতককে বাঁচালেন পুলিশ কর্মকর্তা রক্তদানে সবাইকে এগিয়ে আসা উচিত: সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নয় বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী পালনের আগ্রহ প্রকাশ ভারতের মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষা ৪ অক্টোবর বৃহস্পতিবার ‘গাঙচিল’ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগী কমছে মিন্নির দোষ স্বীকার নিয়ে এসপির মন্তব্য জানতে চান হাইকোর্ট

বৃহস্পতিবার   ২২ আগস্ট ২০১৯   ভাদ্র ৬ ১৪২৬   ২০ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০

১১৪৮

‘খুনিরা আটক না হওয়া পর্যন্ত কবর জিয়ারত করব না’

প্রকাশিত: ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯  

অপেক্ষায় কেটেছে সাতটি বছর। এতগুলো বছরে একবারও যাননি ছেলের কবরের পাশে। এভাবে আর কত বছর কাটাবেন সাংবাদিক সাগর সরওয়ারের মা সালেহা মনির। জানালেন, যতদিন আমার ছেলে ও বউয়ের হত্যাকারীরা আটক হবে না, ততদিন আমি তাদের কবর জিয়ারতে যাব না।সাগর-রুনি হত্যাকারীরা আটক না হওয়ায় হতাশা ব্যক্ত করেন তিনি। সালেহা মনির বলেন, তদন্ত কর্মকর্তারা বার বার আমার কাছে এসে জানতে চায় আমি কাউকে সন্দেহ করি কিনা। আমি প্রতিবারই তাদের বলেছি, আপনাদেরই তো আমাকে জানানোর কথা- কারা কী কারণে আমার ছেলে ও বউকে হত্যা করল?

২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাতে রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারের ভাড়া বাসায় নৃশংসভাবে হত্যা করা হয় মাছরাঙা টেলিভিশনের যুগ্ম বার্তা সম্পাদক সাগর সরওয়ার এবং এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনিকে। 

সোমবার (১১ ফেব্রুয়ারি) এই সাংবাদিক দম্পতির সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকী পূর্ণ হল। আসামিদের গ্রেফতারের ব্যাপারে নানা সময় মামলার তদন্তের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা অনেক আশ্বাস দিলেও সে আশ্বাসে চলে গেছে সাতটি বছর। 

মা সালেহা মনির বলেন, সাতটি বছর ধরে টেলিভিশনের ব্রেকিং নিউজে চোখ রাখছি। মাঝে মাঝেই আঁতকে উঠি, এই বুঝি হত্যাকারীদের আটকের খবর এলো। বাড়ির সামনে পুলিশ-র‌্যাবের গাড়ি থামলেই মনে হয় যেন হত্যাকারীদের আটকের সংবাদ নিয়ে এলো ওরা। এভাবেই সাত বছর ধরে অপেক্ষা করছি।

এই মামলার সন্দেহভাজন নিয়ে তিনি বলেন, আমার চেয়ে এই মামলার বাদী রুনীর ভাই নওশাদই ভালো বলতে পারবেন। যাকে তাকে ধরে নিয়ে মামলায় জড়ানোর চেষ্টা হচ্ছিল বলে, আমি এর প্রতিবাদও করেছি। 

এসময় ক্ষোভের সঙ্গে সাহেলা মনির বলেন, মৃত্যুর আগে আমি ছেলে আর বউয়ের হত্যাকারীদের আটকের খবর শুনে যেতে পারব কিনা, জানি না।

গত ছয় বছরের নানা অভিজ্ঞতায় হতাশা ব্যক্ত করে তিনি বলেন, আমার ছেলের সঙ্গে কারো শত্রুতা ছিল না। রুনির মা তো তার মেয়ের সঙ্গেই থাকতেন, সেই রাতে তিনি কি ওই বাড়িতে ছিলেন না? যদি না থেকে থাকেন, তবে কেন তিনি ওই দিন ছিলেন না? এটা বের করা প্রয়োজন।

সালেহা মনির বলেন, ওই ফ্ল্যাটে কারা আসে, কারা যায়- তার সবই তো নিরাপত্তা কর্মীরা লিখে রাখে। আর এত রাত পর্যন্ত নিশ্চয়ই তাদের মেহমান অপরিচিত কেউ ছিল না। 

এই হত্যাকাণ্ডকে চুরি-ডাকাতির ঘটনা বানানোর চেষ্টা করা হচ্ছে অভিযোগ করে তিনি প্রশ্ন রাখেন, কোন চোর-ডাকাত কী ওই ঘরের চাকু-বটি দিয়ে হত্যা করতে আসবে? আর যে গ্রিল কেটে চুরির ঘটনা দেখানো হচ্ছে, সেটা দিয়ে কি মানুষ ঢুকতে পারবে?

ময়নাতদন্তে চিকিৎসক দেখেছেন, তারা কি খাওয়া-দাওয়া করেছেন, তাদের পাকস্থলিতে কি কি পাওয়া গেছে, হত্যার কারণ নির্ণয়ের পরও আমার সন্তানদের মরদেহ আবার কবর থেকে তুলে ময়নাতদন্ত করা হয়েছে। এতে আমি খুব কষ্ট পেয়েছি। যারা হত্যা করেছে, সেই হত্যাকারীদের ধরার বদলে তদন্তকারী দল শুধু হত্যা কিভাবে হল, সেদিকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। কেন এটা করা হচ্ছে, তা আমার বোধগম্য নয়।

সাগরের মা সালেহা মনির প্রশ্ন রেখে বলেন, হত্যাকারীরা কত শক্তিশালী, যে এতদিন তারা ধরা-ছোঁয়ার বাইরে রয়েছে?

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
এই বিভাগের আরো খবর