ব্রেকিং:
জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারজয়ীদের কী দেয়া হয়? ‘সবার প্রেরণা ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান’ বাড়ির ছাদে গাঁজা চাষ বিশ্বজুড়ে মিয়ানমার বয়কটের ডাক সিলিন্ডারের ভেতরে গ্যাসের বদলে গাঁজা চালু হচ্ছে ঢাকা-সিকিম সরাসরি বাস সার্ভিস গাম্বিয়াকে সহায়তার ঘোষণা কানাডা-নেদারল্যান্ডসের কোনো শিশু-নারী যেন নির্যাতিত না হয়: প্রধানমন্ত্রী কর্মকর্তাকে কুপিয়ে টাকা ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা বিশ্ব মানবাধিকার দিবস মাদক সম্রাট বাদল ডাক্তার আটক পাইকপাড়া ও বুল্লা গ্রামের বিরোধের শান্তিপূর্ণ মিমাংসা স্মৃতিসৌধ পরিদর্শনকালে সঙ্গী কুখ্যাত রাজাকারপুত্র আইনশৃঙ্খলা উন্নয়নে সকলের সহযোগিতা চাইলেন ওসি ইউপি সদস্য সহ ৭ জুয়ারী গ্রেফতার ব্যাডমন্টিন টুর্নামেন্টে দর্শকদের উপচে পড়া ভীড় বিজয় দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় সম্মিলিতভাবে পালন করতে হবে আন্তর্জাতিক দুর্নীতি বিরোধী দিবস পালিত প্রেমিককে না পেয়ে প্রেমিকার আত্মহত্যা সবজি গ্রাম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত কৃষ্ণনগর

মঙ্গলবার   ১০ ডিসেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ২৫ ১৪২৬   ১২ রবিউস সানি ১৪৪১

৮১

কোথায় হবে এরশাদের কবরস্থান, সিদ্ধান্ত হয়নি সভায়

প্রকাশিত: ৪ জুলাই ২০১৯  

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের কবরস্থান কোথায় হবে তা নিয়ে সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেননি দলটির শীর্ষনেতারা।

বৃহস্পতিবার দুপুর তিনটার দিকে শুরু হয় জাপার প্রেসিডিয়াম ও এমপিদের যৌথসভা। চলে আড়াই ঘণ্টাব্যাপী।

এতে সভাপতিত্ব করেন জাপার ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের। সভায় জাপার ৩৮ জন প্রেসিডিয়াম ও এমপিরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় এরশাদের সর্বশেষ শারীরিক অবস্থা ও তার কবরস্থান কোথায় হবে তা নিয়ে হয় দীর্ঘ আলোচনা। 

সভার শুরুতেই জি এম কাদের এরশাদের কথা বলতেই আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন। একপর্যায়ে কেঁদে ফেলেন।

রুদ্ধদ্বার বৈঠকের পর উপস্থিত প্রেসিডেন্ট এর সূত্র জানায়, সভায় দেশের বাইরে থেকে ভালো চিকিৎসক আনা যায় কিনা তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। 

এরআগে দুপুর একটায় এক প্রেসব্রিফিংয়ে জি এম কাদের জানান, এরশাদের শারীরিক অবস্থা আগের চেয়ে উন্নতি হয়েছে। সকালে আমি সিএমএইচে গিয়েছিলাম। তিনি আমার কণ্ঠ শুনে চোখ ও হাত নাড়িয়েছেন।

সভায় উপস্থিত অধিকাংশ নেতারা এরশাদের কবরস্থান নিজস্ব কোনো কেনা জায়গায় পাবলিক প্লেসে করার পক্ষে মত দেন। যদিও কয়েকজন প্রেসিডিয়াম দাবি করেন- এরশাদ সেনানিবাস অথবা আসাদগেটের বিপরীতে সংসদ প্রাঙ্গণে তার কবরের কথা বলেছেন। এ সময় পার্টির অন্য নেতারা এর বিরোধিতা করে বলেন, এরশাদ দেশের সতের কোটি মানুষের নেতা। তার কবরস্থান যদি সেনানিবাসে হয় তাহলে সাধারণ মানুষ জিয়ারত করতে যেতে পারবে না। 

সূত্র জানায়, সভায় জাপার প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা ও সফিকুল ইসলাম সেন্টু মোহাম্মদপুরের আদাবরে জায়গা কিনে কবরস্থান করার প্রস্তাব দেন। কাজী ফিরোজ রশীদ বলেন, আদাবরে জায়গা না পাওয়া গেলে সাভারে আমার নিজস্ব জায়গা থেকে দুই বিঘা জমি এরশাদের কবরস্থানের জন্য লিখে দিবো। 

এরপর প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী মামুনুর রশিদ পাবলিক প্লেসে এরশাদের কবরস্থান করার দাবি জানিয়ে বলেন, নেতা এরশাদের কবরস্থানের জন্য আমি ব্যক্তিগত ভাবে পাঁচ কোটি টাকা দিবো। তিনি আরো বলেন, স্যারকে যদি চিকিৎসার প্রয়োজনে বিদেশে নেয়া হয়, এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের যাবতীয় খরচও আমি বহন করবো। 

সভায় আরো বক্তব্য রাখেন- এম এ সাত্তার, সাহিদুর রহমান টেপা, শেখ মুহাম্মাদ সিরাজুল ইসলাম, সুনীল শুভ রায়, হাজী সাইফুদ্দিন আহমেদ মিলন, এটিইউ তাজ রহমান, আজম খান প্রমুখ।

সভা শেষে প্রেসব্রিফিংয়ে পার্টির মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গা বলেন, এরশাদের শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে। তিনি মূলত মাইলিড প্লাস্টিক সিনডম রোগে আক্রান্ত। সভায় বাইরে থেকে চিকিৎসক আনার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানান তিনি।

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
এই বিভাগের আরো খবর