ব্রেকিং:
দুর্ধর্ষ মাদক ব্যবসায়ী আটক সাংবাদিকতায় দেশ সেরা অ্যাওয়ার্ড পেলেন মিশু জেলা উন্নয়ন সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত বিষ প্রয়োগে সর্বশান্ত মৎস্য চাষী বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিবকে সংবর্ধনা পাঁচ দফা দাবিতে ফারিয়ার মানববন্ধন মসজিদের দেয়ালে ফাটল, আতঙ্কে মুসল্লিরা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদক উদ্ধার মাদক বিরোধী প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত মাদকসেবীর হুমকিতে স্কুলে যাওয়া বন্ধ শিক্ষার্থীর ফুটপাত দখলমুক্ত করলেন ইউএনও শারীরিক সক্ষম হলেই রক্তদান করবে শিক্ষার্থীরা একই তেলে বার বার রান্না ক্যান্সার ও হৃদরোগের কারণ বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণার ওপর জোর দেয়ার তাগিদ তথ্যমন্ত্রীর মুক্ত বাণিজ্য চুক্তিকে অগ্রাধিকার দেয়া হচ্ছে: বাণিজ্যমন্ত্রী নারীর মনে জায়গা পাওয়ার উপায় পানিতে পড়া ফোন যেভাবে দ্রুত সারিয়ে তুলবেন যে কারণে ‘সুদ’ হারাম উদ্বোধন হলো শেখ কামাল ক্লাব কাপ আওয়ামী লীগের সম্মেলন মানেই নতুন মুখ: কাদের

সোমবার   ২১ অক্টোবর ২০১৯   কার্তিক ৫ ১৪২৬   ২১ সফর ১৪৪১

৬৮৫

কৃষি বান্ধব বাজেটে কৃষকের মুখে হাসি, খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ দেশ

প্রকাশিত: ১৯ জুন ২০১৯  

দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে কৃষি খাতের অবদান সবচেয়ে বেশি। তাই ক্ষমতায় আসলেই কৃষির প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রতিবারই ঢেলে সাজান কৃষিনির্ভর বাংলাদেশকে, গ্রহণ করেন নানামুখী পদক্ষেপ। এরই ধারাবাহিকতায় কৃষিতে চলমান অগ্রগতি ধরে রাখতে ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটকে কৃষি বান্ধব করে সাজানো হয়েছে। যা কৃষকের মুখে এনে দিয়েছে হাসি, আর খাদ্যে আরো স্বয়ংসম্পূর্ণ হচ্ছে দেশ।

বিশ্বে ধান উৎপাদনে বাংলাদেশের অবস্থান চতুর্থ। যেখানে আগে দেশের সাড়ে সাত কোটি মানুষের জন্য দেড় কোটি মেট্রিক টন চাল প্রয়োজন হতো। এর মধ্যে দেশের উৎপাদন হতো ১ কোটি ১০ লাখ ১০ মেট্রিক টন। ফলে ৪০ মেট্রিক টন খাদ্য শস্য ঘাটতি পূরণে অন্যান্য দেশ ও আন্তর্জাতিক সাহায্য সংস্থাগুলোর দয়ার ওপর অপেক্ষা করতে হতো দেশকে।

সরকারের কৃষি বান্ধব বাজেটের ফলে ২০১৮ সালে দেশে ৩ কোটি ৬২ লাখ মেট্রিক টন ধান, ৩০ লাখ মেট্রিক টন ভুট্টা, ১৫ লাখ মেট্রিক টন গমসহ ৪ কোটি ১৩ লাখ মেট্রিক টন খাদ্য শস্য উৎপাদিত হয়। আরো ১ কোটি ৫ লাখ মেট্রিক টন আলু উৎপাদন করে প্রায় ৩০ লাখ মেট্রিক টন উদ্বৃত্ত রাখা সম্ভব হয়েছে।

বর্তমান বাংলাদেশের জনসংখ্যা বেড়ে প্রায় ১৭ কোটিতে দাঁড়িয়েছে। কৃষিক্ষেত্রে ব্যাপক উন্নয়ন ও কৃষি উৎপাদনে সাফল্য আমাদের খাদ্য আমদানি নির্ভরতা থেকে রফতানিমুখী রাষ্ট্রে পরিণত করেছে। দেশের প্রত্যেক মানুষ আজ তিন বেলা পেট ভরে খেতে পারছে। কৃষকরা উদ্ভাবন ও উদ্ভাবনী ক্ষমতা উভয়কেই সাদরে গ্রহণ করে ঢেলে সাজিয়েছে বাংলাদেশের কৃষিকে। তাতেই গতি সঞ্চারিত হয়েছে কৃষি অর্থনীতিতে। কৃষকদের প্রণোদনা দেয়ায় চাষাবাদে এখন অল্প অর্থ ব্যয় করতে হয় কৃষকদের। 

সরকার কৃষকদের এত সুযোগ-সুবিধা দিচ্ছে বিধায় এত ধান উৎপাদিত হয়েছে; যা অতীতে হয়নি। কাজেই কৃষক ও কৃষিকে রক্ষা করে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধ পরিকর। আর তাই কৃষি উপকরণ সহজলভ্য করা হয়েছে। সুষম সেচ ও সার সরবরাহ ব্যবস্থার কারণে চাষাবাদের ক্ষেত্রে নতুন দিগন্তের দ্বার উন্মোচিত হচ্ছে। কৃষি বাংলাদেশকে এনে দিয়েছে আন্তর্জাতিক মানের সাফল্য।

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
এই বিভাগের আরো খবর