ব্রেকিং:
বাংলাদেশের ফুটবলে চমক উপহার দিতে চায় ব্রাজিল জঙ্গিবাদের রূপ দিতে আবির্ভাব হয় সাম্প্রদায়িক অশুভ শক্তি চার ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে প্রধানমন্ত্রীর অনুদান রাজধানীতে ৫০ কোটি টাকার সাপের বিষ উদ্ধার ভারতের দূর্বল জায়গায় আঘাত করবে বাংলাদেশের স্পিন অস্ত্র! মাদকাসক্ত হলেই সরকারি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা রিকশা চালক শিশু স্বপ্না ডাক্তার হতে চায় ১১ বছরে ৩৩৯টি কলেজ সরকারিকরণ করা হয়েছে: সংসদে শিক্ষামন্ত্রী রাজনৈতিক স্থিতিশীলতায় বাংলাদেশ এখন অনন্য উচ্চতায় রোহিঙ্গাদের ফেরাতে মিয়ানমারকে বোঝানোর জন্য চীনের প্রতি আহ্বান বৃদ্ধা মাকে সড়কে ফেলে গেলো সন্তান, ওসি দিলেন বুকে ঠাঁই জেনারেল আজিজ- একজন নিবেদিতপ্রাণ গলফার সেনাপ্রধান ‘প্রাণ-মিল্কভিটা-আড়ংসহ পাস্তুরিত সব দুধই মানহীন’ বঙ্গবন্ধু মেডিকেলে লিভার প্রতিস্থাপনে সফল অস্ত্রোপচার ২০৩০ সালের মধ্যে দারিদ্র্য শূন্যের কোটায় আসবে কালো সোনা সাদা করে হাজার কোটি টাকা পাচ্ছে সরকার মেয়াদোত্তীর্ণ ইনজেকশনে আপত্তি, নার্সকে পেটাল ফার্মেসির লোক ২৮ জুন বসবে পদ্মা সেতুর ১৪তম স্প্যান ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনা ; ৯৯৯-এ ফোন করে শাহান মিয়া বাঁচালো ৩০০ প্রাণ সততার পুরস্কার পেলেন পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের ১৫ কর্মকর্তা

বুধবার   ২৬ জুন ২০১৯   আষাঢ় ১৩ ১৪২৬   ২২ শাওয়াল ১৪৪০

৪৯০

কূটনীতিকদের বাংলাদেশ, মিয়ানমারের ওপর চাপ বৃদ্ধি করুন

প্রকাশিত: ১২ জুন ২০১৯  

মিয়ানমারের ওপর চাপ বৃদ্ধি করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ। যাতে মিয়ানমার রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের জন্য সহায়ক পরিবেশ সৃষ্টি করে।

বুধবার সকালে ঢাকায় বিদেশি কূটনীতিকদের ব্রিফিংয়ের পর পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন বলেন, এ ব্যাপারে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে বাংলাদেশ।

তিনি বলেন, তারা (বিদেশি কূটনীতিক) বলেছেন, তারা আমাদের সঙ্গে আছেন। আমরা তাদেরকে বলেছি, মিয়ানমারের ওপর চাপ প্রয়োগ বৃদ্ধি করুন, যাতে তারা সহায়ক পরিবেশ সৃষ্টি করে এবং প্রায় সবাই এ ব্যাপারে একমত হয়েছেন।

এর আগে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় কূটনীতিকদের ব্রিফিংয়ে মোমেন অসন্তুষ্টি প্রকাশ করে বলেন, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের ব্যাপারে দ্বিপাক্ষিক অঙ্গীকার অনুসারে রাখাইন রাজ্যে নিরাপদ ও সহায়ক পরিবেশ সৃষ্টি করতে ব্যর্থ হয়েছে মিয়ানমার।

বাংলাদেশ বর্তমানে ১২ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিচ্ছে। যাদের মধ্যে বেশিরভাগই মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর নির্যাতনে ২০১৭ সালের ২৫ আগস্টের পর সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।

রোহিঙ্গাদের ওপর হত্যা, ধর্ষণ, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগসহ বিভিন্ন অপরাধের জন্য মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী ও তাদের স্থানীয় সহযোগীদের দায়ী করে আসছে শরণার্থী ও মানবাধিকার গোষ্ঠীগুলো।

এদিকে আলোচনার মাধ্যমে শান্তিপূর্ণভাবে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের ব্যাপারে ঢাকা ও নেপিডো একটি চুক্তি স্বাক্ষর করলেও মিয়ানমারের পক্ষ থেকে সে ব্যাপারে কোনো অগ্রগতি নেই।

মিয়ানমার তাদের জনগণকে (রোহিঙ্গা) ফেরত নিতে চায় না, যা রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের প্রধান বাধা বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গত রোববার গণভবনে সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, ‘সমস্যা রয়েছে মিয়ানমারে। তারা রোহিঙ্গাদের ফেরত নিতে চায় না, এটাই (বড়) সমস্যা।’

বুধবারের ব্রিফিংয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেন মিয়নমারের ওপর অব্যাহতভাবে চাপ প্রয়োগের মাধ্যমে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত জনগণকে নিরাপদে ও মর্যাদার সঙ্গে সেখানে (মিয়ানমারে) প্রত্যাবাসনের ব্যাপারে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ব্যাপক সম্পৃক্ততা ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়ে সহায়তা চান।

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
এই বিভাগের আরো খবর