ব্রেকিং:
দুর্ধর্ষ মাদক ব্যবসায়ী আটক সাংবাদিকতায় দেশ সেরা অ্যাওয়ার্ড পেলেন মিশু জেলা উন্নয়ন সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত বিষ প্রয়োগে সর্বশান্ত মৎস্য চাষী বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিবকে সংবর্ধনা পাঁচ দফা দাবিতে ফারিয়ার মানববন্ধন মসজিদের দেয়ালে ফাটল, আতঙ্কে মুসল্লিরা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদক উদ্ধার মাদক বিরোধী প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত মাদকসেবীর হুমকিতে স্কুলে যাওয়া বন্ধ শিক্ষার্থীর ফুটপাত দখলমুক্ত করলেন ইউএনও শারীরিক সক্ষম হলেই রক্তদান করবে শিক্ষার্থীরা একই তেলে বার বার রান্না ক্যান্সার ও হৃদরোগের কারণ বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণার ওপর জোর দেয়ার তাগিদ তথ্যমন্ত্রীর মুক্ত বাণিজ্য চুক্তিকে অগ্রাধিকার দেয়া হচ্ছে: বাণিজ্যমন্ত্রী নারীর মনে জায়গা পাওয়ার উপায় পানিতে পড়া ফোন যেভাবে দ্রুত সারিয়ে তুলবেন যে কারণে ‘সুদ’ হারাম উদ্বোধন হলো শেখ কামাল ক্লাব কাপ আওয়ামী লীগের সম্মেলন মানেই নতুন মুখ: কাদের

সোমবার   ২১ অক্টোবর ২০১৯   কার্তিক ৫ ১৪২৬   ২১ সফর ১৪৪১

১২

কাজ ছাড়াই টাকা বাগিয়ে নিল ঠিকাদার

প্রকাশিত: ৮ অক্টোবর ২০১৯  

বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। কমপ্লেক্সটির তৃতীয় শ্রেণির একটি আবাসিক ভবন সংস্কারের জন্য পাঁচ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয় স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতর। কিন্তু কাজ না করেই টাকা তুলে নেয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।

এমনি অভিযোগ উঠেছে খুলনার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স স্বাদ এন্টারপ্রাইজের বিরুদ্ধে।

হাসপাতালের তথ্যমতে, তৃতীয় শ্রেণির আবাসিক ভবনটির সংস্কারের জন্য চলতি বছরের এপ্রিল মাসে পাঁচ লাখের অধিক টাকা বরাদ্দ দেয় খুলনা স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতর। সংস্কার কাজের দায়িত্ব পায় মেসার্স স্বাদ এন্টারপ্রাইজ। পরবর্তীতে ঠিকাদারের লোকজন ভবনের ভেতর ও বাইরের দেয়ালে কোনো রকম রঙ-তুলির আঁচড় দিয়ে পানি-বিদ্যুৎসহ গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো না করেই চলে যায়। বিষয়টি ওই ভবনের স্বাস্থ্য সহকারী ডাক্তার মো. আসলাম হোসেন জমাদ্দার সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী ও ঠিকাদারকে জানান।

এ সময় তারা বলেন, চিন্তার কোনো কারণ নেই, নিয়মানুযায়ী ভবনের সব কাজ করে দেয়া হবে। কিন্তু মিথ্যা আশ্বাসে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীর যোগসাজশে পুরো বিল তুলে নেয় ঠিকাদার।

ডাক্তার আসলাম হোসেন বলেন, ভবনটির কাজ না করায় পরিবার-পরিজনকে বৃষ্টির পানি থেকে বাঁচাতে ব্যক্তিগত ২০-২৫ হাজার টাকা খরচ করতে হয়েছে। এছাড়া থাকার কোনো পরিবেশ ছিল না।

স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাক্তার মো. জামাল হোসেন শোভন বলেন, সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার কাজ বুঝিয়ে দেয়নি। এছাড়া তারা হাসপাতাল কতৃপক্ষের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ করেননি।

এ বিষয়ে জানতে ঠিকাদারের মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। 

প্রকৌশলী মো. এনামুল হক তালুকদার বলেন, ভবনটির কাজ সঠিকভাবে করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে ঠিকাদারের কোনো গাফিলতি নেই। ভবনটিতে যারা থাকেন তাদের অভিযোগ সঠিক নয়।

সিভিল সার্জন জিকে শামসুজ্জামান বলেন, অনেক ঠিকাদার কাজে নানা অনিয়ম করে থাকেন। এমনকি কাজ বুঝিয়ে না দেয়াসহ কাগজপত্রে সাক্ষর পর্যন্ত নেয় না। তবে বিষয়টির খোঁজখবর নেয়া হবে।

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
এই বিভাগের আরো খবর