ব্রেকিং:
শুদ্ধ বানান চর্চার একুশে ফেব্রুয়ারি দলীয় পদ থেকে বহিষ্কারের দাবিতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অভিনব পন্থায় গাঁজা পাচার মনের আনন্দে চুল-দাড়ি কাটেন লিটন! কসবায় বিশেষ অবদানে একুশ জনকে সম্মাননা স্মারক প্রদান আলেম সমাজ ও সাংবাদিকদের মধ্যে সৃষ্ট সংকটের অবসান আলোকিত শান্তির সরাইল গড়ার কারিগর ওসি সাহাদাত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সরকারি কর্মচারীদের সম্মেলন ৭ম শ্রেণির ছাত্রী ধর্ষণে মামলা না করতে হত্যার হুমকী বিজয়নগরে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বাল্য বিবাহ বন্ধ দুর্নীতি মামলায় কারাগারে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সাবেক সিভিল সার্জন মাদক ব্যবসায় বাধা দেয়ায় ইউপি সদস্যের আঙুল কেটে ফেলার অভিযোগ বিডি ক্লিন তারুণ্যের শহীদ মিনার পরিচ্ছন্ন অভিযান সম্পন্ন ৮০৮ বছর পর এলো চোখ ধাঁধানো তারিখ প্রথম শ্রেণিতে ভর্তির আগে পড়তে হবে প্রাক-প্রাথমিক স্তরে! আমেরিকায় যাচ্ছে বাংলাদেশে তৈরি স্মার্টফোন ধর্ষণের শিকার তিন ছাত্রীকে দেয়া টিসি প্রত্যাহার ডাকঘর সঞ্চয়ের সুদহার পুনর্বিবেচনা হবে: অর্থমন্ত্রী মৃত ভেবে ফেলে গেল শ্বশুরবাড়ির লোকজন, বেঁচে গেলেন যুবক! সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজে যাওয়ার সুবর্ণ সুযোগ!
  • শুক্রবার   ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ||

  • ফাল্গুন ৮ ১৪২৬

  • || ২৬ জমাদিউস সানি ১৪৪১

৪৭৬

কাউকে ক্ষমা করলে, আল্লাহ তার মর্যাদা বৃদ্ধি করে দেন

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া

প্রকাশিত: ৩১ আগস্ট ২০১৯  

মহান আল্লাহ তায়ালা অত্যন্ত দয়ালু ও ক্ষমাশীল। তিনি ক্ষমা করতে ভালোবাসেন। যে অন্যকে ক্ষমা করে তাকেও তিনি ভালোবাসেন। 

পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘যারা সুসময়ে ও দুঃসময়ে ব্যয় করে এবং ক্রোধ নিয়ন্ত্রণ করে ও মানুষকে ক্ষমা করে। আর আল্লাহ সৎকর্মশীলদের ভালোবাসেন।’ (সুরা আল ইমরান, আয়াত: ১৩৪)

জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে মানুষ অন্যের রূঢ় বা কটু কথাবার্তা কিংবা অশোভনীয় আচার-আচরণে কষ্ট পেয়ে থাকেন। ফলে একে অপরের মধ্যে মতবিরোধ তৈরি হয়। অনেক সময় মতবিরোধ ও মতানৈক্যকে কেন্দ্র করে পরস্পরের মধ্যে সংঘাত ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কোরআনে এরশাদ করেন, ‘যদি তোমরা ভালো কিছু প্রকাশ করো কিংবা গোপন করো অথবা মন্দ ক্ষমা করে দাও, তবে নিশ্চয় আল্লাহ ক্ষমাশীল, ক্ষমতাবান।’ (সুরা নিসা, আয়াত: ১৪৯)

ক্ষমাকারীকে আল্লাহ তায়ালা বিশেষভাবে পুরস্কার দেবেন। পরস্পরের মধ্যে বিরোধ নিষ্পন্নকারীও আল্লাহর কাছ থেকে পুরস্কার পাবেন। 

আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘আর মন্দের প্রতিফল মন্দ। অতঃপর যে ক্ষমা করে দেয় এবং আপস নিষ্পত্তি করে, তার পুরস্কার আল্লাহর কাছে রয়েছে। নিশ্চয় আল্লাহ জালিমদের পছন্দ করেন না।’ (সুরা শুরা, আয়াত: ৪০)

ক্ষমা করলে কারো মর্যাদা কমে না। বরং বহু গুণে ক্ষমাশীল ব্যক্তির মর্যাদা বৃদ্ধি পায়। 

আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত রাসূল (সা.) বলেন, সদকা করলে সম্পদের ঘাটতি হয় না। যে ব্যক্তি ক্ষমা করে, আল্লাহ তার মর্যাদা বৃদ্ধি করে দেন। আর কেউ আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য বিনীত হলে, তিনি তার মর্যাদা বাড়িয়ে দেন। (মুসলিম, হাদিস: ২৫৮৮)

আল্লাহর রাসূল (সা.) যখন সাহাবি মুয়াজ  (রা.) ও মুসা (রা.) কে ইয়ামেনে প্রেরণ করেন ও আদেশ দেন, ‘লোকদের প্রতি কোমলতা করবে, কঠোরতা করবে না, তাদের সুখবর দেবে, ঘৃণা সৃষ্টি করবে না। পরস্পর একমত হবে, মতভেদ করবে না।’ (বুখারি, হাদিস: ৩০৩৮)

পরিবারিক, সামাজিক ও জীবনের অন্যান্য পর্যায়ে বিভিন্ন বিষয়ে মতবিরোধ দেখা যাওয়া স্বাভাবিক। তবে এমন হলে, মুসলমান হিসেবে প্রত্যেকের দায়িত্ব হলো অন্যকে ক্ষমা করে দেয়া। পারস্পরিক ভুল-ত্রুটিগুলোকে শুধরে দেয়া। এতে সম্পর্ক ও বন্ধন আরো মজবুত ও অটুট হয়।  

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ধর্ম বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর