ব্রেকিং:
শুধু ফুসফুস নয় হার্টে গিয়েও থাবা বসাচ্ছে করোনা! দেশের বিভিন্ন স্থানে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে গুরুতর আহত ক্রিকেটার লিটন দাসের স্ত্রী দেশের সব স্টেডিয়াম হাসপাতালের জন্য উন্মুক্ত : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী করোনা ভাইরাস নিরাময়ে ওষুধ আবিষ্কার হয়ে গেছে সম্ভবত স্যানিটাইজার উৎপাদন করতেই কর্মকর্তা বদলী!!! দেহে করোনা প্রবেশ করলে যা যা ঘটে দেশে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৪৯ ভিক্ষা করলে পেটে ভাত “না করলে নাই বাড়ি বাড়ি গিয়ে খোঁজ খবর নিয়ে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করলেন ইউএনও জীবানুনাশক ও পানি ছিটিয়ে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা মানুষের পাশে জাতীয় পার্টি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় সরকারি কর্মকর্তা নিহত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নতুন করে আরো ১০৭ জন হোম কোয়ারেন্টাইনে জন সচেতনতায় মাইক হাতে রাস্তায় চেয়ারম্যান জনকল্যাণ সংগঠনের উদ্যোগে হেন্ড সেনিটাইজার ও মাস্ক রিতরণ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অস্ত্র-গুলিসহ দুইজন আটক পিপিই পেলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সাংবাদিকরা ‘ভাইরাল হওয়া ভিডিও ছাত্রলীগের নয়, বিএনপি নেতার ছেলের’ হোম কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিতে প্রবাসীদের বাড়িতে সেনা অভিযান
  • মঙ্গলবার   ৩১ মার্চ ২০২০ ||

  • চৈত্র ১৬ ১৪২৬

  • || ০৬ শা'বান ১৪৪১

করোনা মোকাবিলায় সিঙ্গাপুরের যে পদক্ষেপগুলো অনুসরণীয়

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া

প্রকাশিত: ২৫ মার্চ ২০২০  

লাগামহীন করোনার লাগাম টেনে ধরেছে সিঙ্গাপুর। যেখানে করোনা আতঙ্কে কাঁপছে গোটা বিশ্ব এমনকি পুরো এশিয়া যেখানে করোনায় ছোবল থেকে মুক্তি পায়নি সেখানে স্বাভাবিক জীবনযাপন করছে সিঙ্গাপুরবাসী। 

ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান,গীর্জা, স্কুল, রেঁস্তোরা সবকিছুই চলছে আগের নিয়মে। দেশটিতে এখন পর্যন্ত ৫৫৮ জন করোনায় আক্রান্ত শনাক্ত করা হয়েছে, মারা গেছে ২ জন।

এর আগে ২০০২-২০০৩ সালে সার্সের মহামারীতে ক্ষতিগ্রস্ত হয় সিঙ্গাপুর। সেই অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে এবার করোনাকে মোকাবেলায় সব কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে তারা।

প্রথমেই আইসোলেশন হাসপাতাল বানানো হয়েছে, রোগীদের জন্য বিশেষ রুমেরও ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। চীনের উহানে করোনা উদ্ভবের পরে থেকেই এর ভয়াবহতা সম্পর্কে অনুমান করেছিল সিঙ্গাপুর। সেই থেকেই বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে দেশটি। 

যে বা যার করোনা পজেটিভ এসেছে তাকে প্রথম থেকেই আলাদা রাখা হয়েছে। হোম কোয়ারেন্টাইনের বিষয়টা অনেক সচেতনভাবে তদারকি করেছে তারা। কোয়ারেন্টাইনের সময় পরিবারের অন্য সদস্যদের সঙ্গে দূরত্ব বজায় রাখা, আলাদা বাথরুম ব্যবহার, বাসায় কোনো অতিথি গ্রহণ না করা ইত্যাদি বিষয়। পুরোপুরি সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত রোগীর সেবা করা হয়েছে। যাদের ঝুঁকির পরিমাণ মোটামুটি তাদেরকে হাসপাতালে রাখা হয়েছিল।

যারা সেল্ফ আইসোলেশনে ছিল তাদের সবার ফোন ট্র্যাকিং করে কর্তৃপক্ষ। সেই সঙ্গে আক্রান্তদের সঙ্গে আলাদা করে যোগাযোগ করে। সামান্য লক্ষণে দেখা দিলেই তাদেরকে টেস্ট করানো হয়। শতকরা এক ভাগেরও কম মানুষের টেস্ট পজেটিভ আসে। যাদের মধ্যে কোন লক্ষণ দেখা দেয় না তাদেরকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়। এক্ষেত্রেও কয়েকটি নিয়ম মেনে চলতে হবে। দিনে কয়েকবার, আপনি একটি এসএমএস পাবেন এবং আপনাকে একটি লিঙ্কে ক্লিক করতে হবে যা আপনার ফোনটি কোথায় তা দেখিয়ে দেবে।

আপনি যদি  প্রতারণা করেন এবং আপনার ফোনটি অন্য কারও কাছে ঘরে রেখে যান, তবে সরকারের  লোকেরা যখন তখন দরজায় নক করবে। অমান্য করলে জরিমানা হবে বেশ কঠোর। তবে একান্তই বাইরে যাওয়ার দরকার হলে জনাসমাগম এড়াতে হবে, মাস্ক পরতে হবে। রেঁস্তোরা ও বারগুলোতে তাদের ব্যবসায়কে সংকুচিত করতে বলা হয়েছে, কারণ লকডাউন করা কোনো সমাধান না। এতে মানুষ মানসিকভাবে ভেঙে পরবে বলে ধারণা সিঙ্গাপুরবাসীর।

মোট কথা অন্যান্য দেশের করোনা পরিস্থিতি বিবেচনায় কি করা উচিত সে বিষয়ে প্রতিনিয়ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সিঙ্গাপুর। কিছুদিন পরপরই  সচেতন করে জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দিয়েছে সিঙ্গাপুরের প্রধানমন্ত্রী। আর এসব সচেতনতাই  দেশটিকে প্রাণঘাতী করোনায় মোকাবেলায় সাহায্য করছে।

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
করোনাভাইরাস বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর