ব্রেকিং:
প্রতিদিন কয়েকবার গরম পানির ভাপ নিয়েছি করোনায় ব্যতিক্রমী উদ্যোগ এমপিওভুক্তির সুখবর পেল ১৬৩৩ স্কুল-কলেজ ২০ হাজারের বেশি আইসোলেশন শয্যা প্রস্তুত রয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছে মানুষ, দৃষ্টান্ত স্থাপন করে চলেছে বৈশ্বিক ক্রয়াদেশ পূরণে সক্ষম বাংলাদেশ ॥ শেখ হাসিনা লোকসান ঠেকাতে সরাসরি ক্ষেত থেকে সবজি কিনছে সেনাবাহিনী করোনা পরীক্ষায় দেশে চালু হলো প্রথম বেসরকারি ল্যাব যে দোয়ার আমলে স্মরণশক্তি বৃদ্ধি পাবে ইনশাআল্লাহ! আল্লাহ তিন ধরনের লোকের দোয়া ফিরিয়ে দেন না করোনা রোগীদের বাড়ি প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপহার ভেন্টিলেটর-সিসিইউ স্থাপনে জরুরি প্রকল্প বঙ্গবন্ধুর মতো নেতা পৃথিবীতে খুব কম দেখা যায়: ট্রাম্প গবেষণা প্রটোকল জমা না দিয়েই বিষোদগার করছেন জাফরুল্লাহ জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচিতে নিয়োগ করোনা আক্রান্তের শরীরের অক্সিজেনের পরিমাণ ঘরেই পরীক্ষার উপায় মধ্যবিত্তরাও খাদ্যসহায়তার আওতায়: শিল্প প্রতিমন্ত্রী কর্মস্থল ত্যাগকারীদের তালিকা চায় মন্ত্রণালয় নাসিরনগরে শিশু নিহতের ঘটনায় গ্রেফতার ২ দেশে ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড সংখ্যক আক্রান্ত, আরো ৮ মৃত্যু
  • বৃহস্পতিবার   ০৬ আগস্ট ২০২০ ||

  • শ্রাবণ ২২ ১৪২৭

  • || ১৫ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

১০৩০

এবি ব্যাংকের ১৩৩ কোটি টাকা আত্মসাৎ, দুদকের মামলা

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া

প্রকাশিত: ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৯  

এবি ব্যাংকের ১৩৩ কোটির বেশি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ব্যাংকটির দুই কর্মকর্তা ও এক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।সোমবার দুদক প্রধান কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ সিরাজুল হক বাদী হয়ে নগরীর হালি শহর থানায় এ মামলা করেন।  

হালিশহর থানার ওসি এসএম ওবায়দুল হক বলেন, মামলায় আসামি করা হয়েছে আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান চট্টগ্রামের মেসার্স ইয়াছির এন্টারপ্রাইজের মালিক মো. মোজাহের হোসেন, এবি ব্যাংকের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ও শাখা ব্যবস্থাপক মো. নাজির উদ্দিন এবং সাবেক সিনিয়র সহকারী ভাইস প্রেসিডেন্ট ও ক্রেডিট অ্যাডমিন মনিটরিং বিভাগের দায়িত্বে থাকা আজাদ হোসেনকে।

দুদকের চট্টগ্রাম সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত উপ-পরিচালক লুৎফুল কবির চন্দন বলেন, তিনজনের বিরুদ্ধে ১৩৩ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মামলা দায়ের হয়েছে। ২০ ফেব্রুয়ারি মামলা দায়েরের অনুমোদন দেয়া হয়। দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে অনুসন্ধানের ভিত্তিতে মামলাটি দায়ের করা হয়েছে। 

মামলায় অভিযোগ বলা হয়েছে, মেসার্স ইয়াসির এন্টারপ্রাইজের মালিক মো. মোজাহের হোসেন এক কোটি ৮০ লাখ টাকার সম্পদ জামানতের বিপরীতে দুইটি আমদানি ঋণপত্র (এলসি) খোলেন। এর মধ্যে একটি ফরেন, অন্যটি লোকাল। ফরেন এলসির মাধ্যমে বিদেশ থেকে প্রায় ১০০ কোটি টাকার খাদ্যপণ্যসহ বিভিন্ন ধরনের পণ্য আমদানি করা হয়। ওই পণ্যের মূল্য বাবদ রফতানিকারক প্রতিষ্ঠানকে এবি ব্যাংক থেকে আমদানিমূল্য পরিশোধ করা হয়। কিন্তু সেই টাকা ইয়াসির এন্টারপ্রাইজ এবি ব্যাংকে জমা দেয়নি। আবার আমদানি পণ্য দেশের বাজারে বিক্রি করার পরও সেই টাকা পায়নি ব্যাংক। ঋণ ও সুদসহ ১৩৩ কোটি ১৮ লাখ ৯২ হাজার ৬১৭ টাকা গ্রাহক ও ব্যাংক কর্মকর্তারা যোগসাজশে আত্মসাৎ করেছেন। 

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অপরাধ বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর