ব্রেকিং:
আরো কটা দিন বাঁচার স্বপ্ন দেখছে মাহাবুব ট্রেন দুর্ঘটনায় চালক, সহকারী ও গার্ড দায়ী শ্রেষ্ঠ শিক্ষক সম্মাননা প্রদান প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বীজ ও সার বিতরণ অবশেষে ময়নাতদন্ত ছাড়াই আসমার লাশ ফিরে পেল বাবা-মা ভুয়া সাংবাদিক পরিচয়ে মাদক ব্যবসা, অতঃপর... স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিদর্শিকার সেচ্ছাচারিতা প্রতিটি ফার্মেসি ও ক্লিনিকে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে মরদেহ নিয়ে নিহতের পরিবার ও পুলিশের মধ্যে টানাপোড়া ভ্রাম্যমান আদালতে ৬ জুয়াড়ির জরিমানা পিকআপের ধাক্কায় অটো যাত্রীর করুণ মৃত্যু মাদক বিরোধী অভিযানে আটক ৬ নারীর এই তিন রোগে সতর্ক হতে হবে এখনই পঞ্চগড় থেকে স্পষ্ট দেখা দিচ্ছে কাঞ্চনজঙ্ঘা পাত্রীকে সোনা কেনার টাকা দেবে সরকার বাংলাদেশি রাজীবের সততায় স্যালুট জানাল সিঙ্গাপুর পুলিশ আজ থেকে শুরু ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’ ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন স্পষ্ট করে লিখতে চিকিৎসকদের নির্দেশ পরীক্ষার হলে উত্তরপত্র পৌঁছে দেন শিক্ষক! রোহিঙ্গা নির্যাতন: বিচারের মুখোমুখি হচ্ছেন সু চি

শুক্রবার   ২২ নভেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ৭ ১৪২৬   ২৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

৮৭৬

এবি ব্যাংকের ১৩৩ কোটি টাকা আত্মসাৎ, দুদকের মামলা

প্রকাশিত: ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৯  

এবি ব্যাংকের ১৩৩ কোটির বেশি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ব্যাংকটির দুই কর্মকর্তা ও এক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।সোমবার দুদক প্রধান কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ সিরাজুল হক বাদী হয়ে নগরীর হালি শহর থানায় এ মামলা করেন।  

হালিশহর থানার ওসি এসএম ওবায়দুল হক বলেন, মামলায় আসামি করা হয়েছে আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান চট্টগ্রামের মেসার্স ইয়াছির এন্টারপ্রাইজের মালিক মো. মোজাহের হোসেন, এবি ব্যাংকের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ও শাখা ব্যবস্থাপক মো. নাজির উদ্দিন এবং সাবেক সিনিয়র সহকারী ভাইস প্রেসিডেন্ট ও ক্রেডিট অ্যাডমিন মনিটরিং বিভাগের দায়িত্বে থাকা আজাদ হোসেনকে।

দুদকের চট্টগ্রাম সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত উপ-পরিচালক লুৎফুল কবির চন্দন বলেন, তিনজনের বিরুদ্ধে ১৩৩ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মামলা দায়ের হয়েছে। ২০ ফেব্রুয়ারি মামলা দায়েরের অনুমোদন দেয়া হয়। দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে অনুসন্ধানের ভিত্তিতে মামলাটি দায়ের করা হয়েছে। 

মামলায় অভিযোগ বলা হয়েছে, মেসার্স ইয়াসির এন্টারপ্রাইজের মালিক মো. মোজাহের হোসেন এক কোটি ৮০ লাখ টাকার সম্পদ জামানতের বিপরীতে দুইটি আমদানি ঋণপত্র (এলসি) খোলেন। এর মধ্যে একটি ফরেন, অন্যটি লোকাল। ফরেন এলসির মাধ্যমে বিদেশ থেকে প্রায় ১০০ কোটি টাকার খাদ্যপণ্যসহ বিভিন্ন ধরনের পণ্য আমদানি করা হয়। ওই পণ্যের মূল্য বাবদ রফতানিকারক প্রতিষ্ঠানকে এবি ব্যাংক থেকে আমদানিমূল্য পরিশোধ করা হয়। কিন্তু সেই টাকা ইয়াসির এন্টারপ্রাইজ এবি ব্যাংকে জমা দেয়নি। আবার আমদানি পণ্য দেশের বাজারে বিক্রি করার পরও সেই টাকা পায়নি ব্যাংক। ঋণ ও সুদসহ ১৩৩ কোটি ১৮ লাখ ৯২ হাজার ৬১৭ টাকা গ্রাহক ও ব্যাংক কর্মকর্তারা যোগসাজশে আত্মসাৎ করেছেন। 

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
এই বিভাগের আরো খবর