ব্রেকিং:
করদাতাদের সুবিধার্থে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ স্যানিটেশন মাস ও বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত জেলে পরিবারের মাঝে ছাগল বিতরণ খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি ও ইঁদুর নিধনে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান চাঁদা না পেয়ে সন্ত্রাসীদের হামলা কার্টুনে ভরা নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার পণ্যের মূল্য তালিকা ও মেয়াদোত্তীর্ণ তারিখ না থাকায় জরিমানা নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় আহত ১৫ নিরাপদ খাদ্য আইন বাস্তবায়নের দাবিতে মানববন্ধন সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে অপপ্রচার স্বাস্থ্য সচেতনতায় মা সমাবেশ অনুষ্ঠিত হাসপাতালে নবজাতক রেখে মা উধাও সাড়ে ৮ লাখ টাকা দিয়েও হলো না চাকরি, কাঁদলেন প্রার্থী ২০২৩ বিশ্বকাপের আয়োজক হতে পারে বাংলাদেশ! কোটি টাকার কারেন্ট জালে আগুন দেশের ‘অপরিচিত’ কিছু সমুদ্র সৈকত আপনার দেহে কি ক্যান্সার বাসা বেঁধেছে? বুঝে নিন ১০টি লক্ষণে র‌্যাগিং বন্ধে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের আহ্বান ডিজিটাল মেলায় দেশি রোবট নিয়ে কৌতুহল জুতার বাজে গন্ধ দূর করুন সহজ একটি কৌশলে!

বৃহস্পতিবার   ১৭ অক্টোবর ২০১৯   কার্তিক ১ ১৪২৬   ১৭ সফর ১৪৪১

১০

এবার অধ্যাপকের যৌন হয়রানির বর্ণনা দিলেন জাবির আরেক ছাত্রী

প্রকাশিত: ৬ অক্টোবর ২০১৯  

সরকার ও রাজনীতি বিভাগের বিভাগের শিক্ষক সানোয়ার সিরাজ যৌন হয়রানির বর্ণনা দিয়েছিলেন  জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের একই বিভাগের এক ছাত্রী। এরপর অভিযুক্ত সানোয়ার সিরাজকে অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়।

এ ঘটনার এক সপ্তাহ পার না হতেই এবার ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের এক অধ্যাপকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারী ওই বিভাগেরই ছাত্রী। যার বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে তিনি ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের অধ্যাপক। তার নাম শাহেদুর রশিদ।

যৌন হয়রানির শিকার ওই ছাত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফারজানা ইসলাম বরাবর একটি অভিযোগপত্র দিয়েছেন।

অভিযোগপত্রে ওই ছাত্রী বলেন, অধ্যাপক শাহেদুর রশিদ আমার গবেষণা তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন। ২০১৮ সালের ২ জুলাই দুপুর আড়াইটায় অধ্যাপক শাহেদুর রশিদের কক্ষে যাই। এ সময় তার কক্ষে বিভাগের একজন সহযোগী অধ্যাপক ও একজন সহকারী অধ্যাপক ছিলেন। তাদের উপস্থিতিতে অধ্যাপক শাহেদুর রশিদ গবেষণা সংক্রান্ত আলোচনা করেন। কিন্তু ওই দুই শিক্ষক চলে গেলে তিনি (অধ্যাপক শাহেদ) রুমের দরজা লক করেন। পরে নিজের চেয়ারে না বসে আমার পাশের চেয়ারে এসে বসেন। আচমকা আমার হাত ধরে বন্ধুর সঙ্গে আমার সম্পর্ক কেমন চলছে- এ ধরনের ব্যক্তিগত বিষয়ে জিজ্ঞাসা করেন। এক পর্যায়ে তিনি তার অন্য হাতটি আমার কাঁধের ওপর রেখে আমাকে পরীক্ষার ফলাফল ভালো করানোর, ক্যারিয়ার গড়ে দেয়ার প্রলোভন দেখান। তার এ ধরনের অস্বাভাবিক আচরণের কারণে আমি জোরপূর্বক দরোজার লক খুলে বের হয়ে আসি।

অভিযোগপত্রে ওই ছাত্রী আরো উল্লেখ করেন, একজন শিক্ষকের কাছ থেকে এ ধরনের অশিক্ষকসুলভ ও হয়রানিমূলক আচরণ কোনোভাবেই কাম্য নয়। এই ঘটনায় বিচলিত হয়ে পড়ি এবং আমার বন্ধুকে বিষয়টি অবহিত করি। সে আমাকে এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে জানানোর পরামর্শ দেয়।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই বিভাগের এক শিক্ষক জানান, এ ঘটনার পর ভুক্তভোগী ছাত্রী বিভাগ পরিবর্তন করে সরকার ও রাজনীতি বিভাগে স্নাতকোত্তরে ভর্তি হন। বিষয়টি নিয়ে কোন তদন্ত হয়নি। সম্প্রতি অধ্যাপক শাহেদুর রশিদ উপাচার্যপন্থী শিক্ষক রাজনীতিতে যোগ দিয়েছেন। এ কারণে এ অভিযোগকে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে বলে আমার ধারণা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলাম এই অভিযোগের ব্যাপারে বলেন, এ ধরনের একটি অভিযোগ আমার কাছে এসেছিলো। আমি যৌন নিপীড়নবিরোধী সেলে পাঠিয়েছি। তারা এটি তদন্ত করছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌন নিপীড়ন বিরোধী সেলের প্রধান অধ্যাপক রাশেদা আখতার এ বিষয়ে বলেন, আভিযোগপত্রটি পাওয়ার পর কাজ শুরু করেছি। বিষয়টি খুর দ্রুত তদন্ত প্রক্রিয়ার দিকে যাচ্ছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযোগকারী শিক্ষার্থী বলেন, অভিযোগের বিষয়ে আমি কোনো কথা বলতে চাচ্ছি না। যখন দরকার হবে আমি তখন কথা বলবো।

এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত অধ্যাপক শাহেদুর রশিদের সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার চেষ্টা করা হলেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
এই বিভাগের আরো খবর