ব্রেকিং:
প্রতিদিন কয়েকবার গরম পানির ভাপ নিয়েছি করোনায় ব্যতিক্রমী উদ্যোগ এমপিওভুক্তির সুখবর পেল ১৬৩৩ স্কুল-কলেজ ২০ হাজারের বেশি আইসোলেশন শয্যা প্রস্তুত রয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছে মানুষ, দৃষ্টান্ত স্থাপন করে চলেছে বৈশ্বিক ক্রয়াদেশ পূরণে সক্ষম বাংলাদেশ ॥ শেখ হাসিনা লোকসান ঠেকাতে সরাসরি ক্ষেত থেকে সবজি কিনছে সেনাবাহিনী করোনা পরীক্ষায় দেশে চালু হলো প্রথম বেসরকারি ল্যাব যে দোয়ার আমলে স্মরণশক্তি বৃদ্ধি পাবে ইনশাআল্লাহ! আল্লাহ তিন ধরনের লোকের দোয়া ফিরিয়ে দেন না করোনা রোগীদের বাড়ি প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপহার ভেন্টিলেটর-সিসিইউ স্থাপনে জরুরি প্রকল্প বঙ্গবন্ধুর মতো নেতা পৃথিবীতে খুব কম দেখা যায়: ট্রাম্প গবেষণা প্রটোকল জমা না দিয়েই বিষোদগার করছেন জাফরুল্লাহ জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচিতে নিয়োগ করোনা আক্রান্তের শরীরের অক্সিজেনের পরিমাণ ঘরেই পরীক্ষার উপায় মধ্যবিত্তরাও খাদ্যসহায়তার আওতায়: শিল্প প্রতিমন্ত্রী কর্মস্থল ত্যাগকারীদের তালিকা চায় মন্ত্রণালয় নাসিরনগরে শিশু নিহতের ঘটনায় গ্রেফতার ২ দেশে ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড সংখ্যক আক্রান্ত, আরো ৮ মৃত্যু
  • শনিবার   ০৬ জুন ২০২০ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ২৩ ১৪২৭

  • || ১৩ শাওয়াল ১৪৪১

৭২

এবার অধ্যাপকের যৌন হয়রানির বর্ণনা দিলেন জাবির আরেক ছাত্রী

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া

প্রকাশিত: ৬ অক্টোবর ২০১৯  

সরকার ও রাজনীতি বিভাগের বিভাগের শিক্ষক সানোয়ার সিরাজ যৌন হয়রানির বর্ণনা দিয়েছিলেন  জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের একই বিভাগের এক ছাত্রী। এরপর অভিযুক্ত সানোয়ার সিরাজকে অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়।

এ ঘটনার এক সপ্তাহ পার না হতেই এবার ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের এক অধ্যাপকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারী ওই বিভাগেরই ছাত্রী। যার বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে তিনি ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের অধ্যাপক। তার নাম শাহেদুর রশিদ।

যৌন হয়রানির শিকার ওই ছাত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফারজানা ইসলাম বরাবর একটি অভিযোগপত্র দিয়েছেন।

অভিযোগপত্রে ওই ছাত্রী বলেন, অধ্যাপক শাহেদুর রশিদ আমার গবেষণা তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন। ২০১৮ সালের ২ জুলাই দুপুর আড়াইটায় অধ্যাপক শাহেদুর রশিদের কক্ষে যাই। এ সময় তার কক্ষে বিভাগের একজন সহযোগী অধ্যাপক ও একজন সহকারী অধ্যাপক ছিলেন। তাদের উপস্থিতিতে অধ্যাপক শাহেদুর রশিদ গবেষণা সংক্রান্ত আলোচনা করেন। কিন্তু ওই দুই শিক্ষক চলে গেলে তিনি (অধ্যাপক শাহেদ) রুমের দরজা লক করেন। পরে নিজের চেয়ারে না বসে আমার পাশের চেয়ারে এসে বসেন। আচমকা আমার হাত ধরে বন্ধুর সঙ্গে আমার সম্পর্ক কেমন চলছে- এ ধরনের ব্যক্তিগত বিষয়ে জিজ্ঞাসা করেন। এক পর্যায়ে তিনি তার অন্য হাতটি আমার কাঁধের ওপর রেখে আমাকে পরীক্ষার ফলাফল ভালো করানোর, ক্যারিয়ার গড়ে দেয়ার প্রলোভন দেখান। তার এ ধরনের অস্বাভাবিক আচরণের কারণে আমি জোরপূর্বক দরোজার লক খুলে বের হয়ে আসি।

অভিযোগপত্রে ওই ছাত্রী আরো উল্লেখ করেন, একজন শিক্ষকের কাছ থেকে এ ধরনের অশিক্ষকসুলভ ও হয়রানিমূলক আচরণ কোনোভাবেই কাম্য নয়। এই ঘটনায় বিচলিত হয়ে পড়ি এবং আমার বন্ধুকে বিষয়টি অবহিত করি। সে আমাকে এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে জানানোর পরামর্শ দেয়।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই বিভাগের এক শিক্ষক জানান, এ ঘটনার পর ভুক্তভোগী ছাত্রী বিভাগ পরিবর্তন করে সরকার ও রাজনীতি বিভাগে স্নাতকোত্তরে ভর্তি হন। বিষয়টি নিয়ে কোন তদন্ত হয়নি। সম্প্রতি অধ্যাপক শাহেদুর রশিদ উপাচার্যপন্থী শিক্ষক রাজনীতিতে যোগ দিয়েছেন। এ কারণে এ অভিযোগকে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে বলে আমার ধারণা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলাম এই অভিযোগের ব্যাপারে বলেন, এ ধরনের একটি অভিযোগ আমার কাছে এসেছিলো। আমি যৌন নিপীড়নবিরোধী সেলে পাঠিয়েছি। তারা এটি তদন্ত করছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌন নিপীড়ন বিরোধী সেলের প্রধান অধ্যাপক রাশেদা আখতার এ বিষয়ে বলেন, আভিযোগপত্রটি পাওয়ার পর কাজ শুরু করেছি। বিষয়টি খুর দ্রুত তদন্ত প্রক্রিয়ার দিকে যাচ্ছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযোগকারী শিক্ষার্থী বলেন, অভিযোগের বিষয়ে আমি কোনো কথা বলতে চাচ্ছি না। যখন দরকার হবে আমি তখন কথা বলবো।

এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত অধ্যাপক শাহেদুর রশিদের সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার চেষ্টা করা হলেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
শিক্ষা বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর