ব্রেকিং:
শুদ্ধ বানান চর্চার একুশে ফেব্রুয়ারি দলীয় পদ থেকে বহিষ্কারের দাবিতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অভিনব পন্থায় গাঁজা পাচার মনের আনন্দে চুল-দাড়ি কাটেন লিটন! কসবায় বিশেষ অবদানে একুশ জনকে সম্মাননা স্মারক প্রদান আলেম সমাজ ও সাংবাদিকদের মধ্যে সৃষ্ট সংকটের অবসান আলোকিত শান্তির সরাইল গড়ার কারিগর ওসি সাহাদাত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সরকারি কর্মচারীদের সম্মেলন ৭ম শ্রেণির ছাত্রী ধর্ষণে মামলা না করতে হত্যার হুমকী বিজয়নগরে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বাল্য বিবাহ বন্ধ দুর্নীতি মামলায় কারাগারে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সাবেক সিভিল সার্জন মাদক ব্যবসায় বাধা দেয়ায় ইউপি সদস্যের আঙুল কেটে ফেলার অভিযোগ বিডি ক্লিন তারুণ্যের শহীদ মিনার পরিচ্ছন্ন অভিযান সম্পন্ন ৮০৮ বছর পর এলো চোখ ধাঁধানো তারিখ প্রথম শ্রেণিতে ভর্তির আগে পড়তে হবে প্রাক-প্রাথমিক স্তরে! আমেরিকায় যাচ্ছে বাংলাদেশে তৈরি স্মার্টফোন ধর্ষণের শিকার তিন ছাত্রীকে দেয়া টিসি প্রত্যাহার ডাকঘর সঞ্চয়ের সুদহার পুনর্বিবেচনা হবে: অর্থমন্ত্রী মৃত ভেবে ফেলে গেল শ্বশুরবাড়ির লোকজন, বেঁচে গেলেন যুবক! সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজে যাওয়ার সুবর্ণ সুযোগ!
  • বৃহস্পতিবার   ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ||

  • ফাল্গুন ৮ ১৪২৬

  • || ২৫ জমাদিউস সানি ১৪৪১

২০৩

একজন অনন্যা মায়ের গল্প

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া

প্রকাশিত: ১২ মে ২০১৯  

১৯৮৯ সালের কথা। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার বাহাদুরপুর গ্রামের নবম শ্রেণির ছাত্রী মিনুয়ারা বেগমকে জোর করে বিয়ে করতে চান এক আত্মীয়। মিনুয়ারার বাবা আবদুল হাই তাঁর খালাতো বোন জোহরা আনিসকে বিষয়টি জানান। জোহরা আনিস তখন কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের বাংলা বিভাগের শিক্ষক। তিনি উদ্যোগী হয়ে ওই বিয়ে বন্ধ করেন। এরপর ১৯৯১ সালে মিনুয়ারা এসএসসি পাস করে। মিনুয়ারাকে নিজ বাসায় রাখেন। সেখান থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে স্নাতকোত্তর পাস করেন মিনুয়ারা। তিনি এখন একটি সরকারি কলেজের বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের শিক্ষক। শুধু মিনুয়ারা নন, এ রকম বহু ছেলেমেয়েকে পড়াশোনার ব্যবস্থা ও খরচের জোগান দেন জোহরা আনিস। তাঁদের পাশে থেকে সাহস দেন। জোগান আত্মপ্রত্যয়ী হওয়ার অনুপ্রেরণা।
নারীশিক্ষায় অসামান্য অবদানের জন্য জোহরা আনিসকে গত বছর সরকার বেগম রোকেয়া পদকে ভূষিত করে। ওই পদকের সম্মানীর ২ লাখ টাকাই তিনি নবীনগরের গুড়িগ্রাম ফাতেমা কুদ্দুস ফাউন্ডেশনকে দান করেন। তাঁর জন্ম ১৯৪৭ সালের ১৫ অক্টোবর অবিভক্ত কুমিল্লার ব্রাহ্মণবাড়িয়া মহকুমার নবীনগর উপজেলার গুড়িগ্রামে। পাঁচ বোন ও এক ভাইয়ের মধ্যে তিনি সবার বড়। তাঁর বাবা আবদুল কুদ্দুস ও মা ফাতেমা বেগম শিক্ষক ছিলেন। জোহরা আনিস ১৯৭০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৭৩ সালে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজে বাংলা বিভাগের প্রভাষক পদে যোগ দেন। তিনি ২০০৪ সালের ১৩ অক্টোবর একই কলেজের অধ্যক্ষ পদ থেকে অবসরে যান। গত বছরের ৯ ডিসেম্বর বেগম রোকেয়া দিবসে নারীশিক্ষা বিস্তারে অসামান্য অবদান রাখায় তাঁকে রাষ্ট্রীয় রোকেয়া পদক দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
নগর জুড়ে বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর