ব্রেকিং:
দুদকের অভিযানে সরকারি ওষুধ বেচতে গিয়ে ধরা খেল নার্স বাংলাদেশে বিলুপ্তি’র পথে শতাধিক দেশীয় মাছ কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে সবার উপরে চাঁদপুর, নিচে ফেনী মিন্নির ১০দিনের রিমান্ড চায় পুলিশ বাংলাদেশে গুগল ম্যাপে যুক্ত হলো নতুন ফিচার বন্যা মোকাবিলায় সেনাবাহিনী প্রস্তুত: সেনাপ্রধান গাপটিলের সেই থ্রো নিয়ে কথা বলল আইসিসি বাংলাদেশি পণ্যের রফতানি বাড়বে কলকাতায়: এফবিসিসিআই বিজেপি ক্ষমতায় আসার পরই ভারতে মুসলিম নিপীড়ন বেড়েছে বাংলাদেশি বিজ্ঞানীদের গুতুম মাছের কৃত্রিম প্রজনন কৌশল উদ্ভাবন এইচএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ৭৩ দশমিক ৯৩ শতাংশ সেনাবাহিনী-বিজিবির চেষ্টায় বান্দরবানের সঙ্গে যোগাযোগ স্বাভাবিক ‘সব আদালতে নিরাপত্তা বাড়ানো হবে’ কোরবানির ঈদ পর্যন্ত বিদেশি গরু প্রবেশ নিষিদ্ধ এরশাদের আসন শূন্য ঘোষণা, তিন মাসের মধ্যে নির্বাচন কথাবার্তায় সন্দেহ থেকে গ্রেফতার হলো মিন্নি ৩৬ কোটি টাকার ওষুধ ধ্বংস, জরিমানা দেড় কোটি একনেকে ৫ হাজার কোটি টাকার ৮ প্রকল্প অনুমোদন ব্যাংক কর্মকর্তাকে ধর্ষণের পর হত্যা, পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ড বেশির ভাগ দুধেই সিসা: হাইকোর্টে বিএসটিআইয়ের রিপোর্ট

বুধবার   ১৭ জুলাই ২০১৯   শ্রাবণ ২ ১৪২৬   ১৪ জ্বিলকদ ১৪৪০

৬৮

একজন অনন্যা মায়ের গল্প

প্রকাশিত: ১২ মে ২০১৯  

১৯৮৯ সালের কথা। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার বাহাদুরপুর গ্রামের নবম শ্রেণির ছাত্রী মিনুয়ারা বেগমকে জোর করে বিয়ে করতে চান এক আত্মীয়। মিনুয়ারার বাবা আবদুল হাই তাঁর খালাতো বোন জোহরা আনিসকে বিষয়টি জানান। জোহরা আনিস তখন কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের বাংলা বিভাগের শিক্ষক। তিনি উদ্যোগী হয়ে ওই বিয়ে বন্ধ করেন। এরপর ১৯৯১ সালে মিনুয়ারা এসএসসি পাস করে। মিনুয়ারাকে নিজ বাসায় রাখেন। সেখান থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে স্নাতকোত্তর পাস করেন মিনুয়ারা। তিনি এখন একটি সরকারি কলেজের বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের শিক্ষক। শুধু মিনুয়ারা নন, এ রকম বহু ছেলেমেয়েকে পড়াশোনার ব্যবস্থা ও খরচের জোগান দেন জোহরা আনিস। তাঁদের পাশে থেকে সাহস দেন। জোগান আত্মপ্রত্যয়ী হওয়ার অনুপ্রেরণা।
নারীশিক্ষায় অসামান্য অবদানের জন্য জোহরা আনিসকে গত বছর সরকার বেগম রোকেয়া পদকে ভূষিত করে। ওই পদকের সম্মানীর ২ লাখ টাকাই তিনি নবীনগরের গুড়িগ্রাম ফাতেমা কুদ্দুস ফাউন্ডেশনকে দান করেন। তাঁর জন্ম ১৯৪৭ সালের ১৫ অক্টোবর অবিভক্ত কুমিল্লার ব্রাহ্মণবাড়িয়া মহকুমার নবীনগর উপজেলার গুড়িগ্রামে। পাঁচ বোন ও এক ভাইয়ের মধ্যে তিনি সবার বড়। তাঁর বাবা আবদুল কুদ্দুস ও মা ফাতেমা বেগম শিক্ষক ছিলেন। জোহরা আনিস ১৯৭০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৭৩ সালে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজে বাংলা বিভাগের প্রভাষক পদে যোগ দেন। তিনি ২০০৪ সালের ১৩ অক্টোবর একই কলেজের অধ্যক্ষ পদ থেকে অবসরে যান। গত বছরের ৯ ডিসেম্বর বেগম রোকেয়া দিবসে নারীশিক্ষা বিস্তারে অসামান্য অবদান রাখায় তাঁকে রাষ্ট্রীয় রোকেয়া পদক দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
এই বিভাগের আরো খবর