ব্রেকিং:
আ’লীগ নেতার বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে সম্মিলিত নাগরিক সমাজ বিএনপি নেতা দুদুর বিরুদ্ধে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মামলা বিএনপি’র পকেট কমিটি বাতিলের দাবীতে বিক্ষোভ ও ঝাঁড়ু মিছিল ট্রাকচাপায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত মুসলিম যাত্রী থাকায় আমেরিকান এয়ারলাইনসের ফ্লাইট বাতিল নির্ধারিত সময়ে প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে হবে: এলজিআরডি মন্ত্রী ব্যাংক নোটের আদলে বিল ব্যবহারে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হুঁশিয়ারি তিন স্পা সেন্টার থেকে ১৬ নারী ও ৩ পুরুষ আটক দেশে বেড়েই চলেছে ইন্টারনেটের গ্রাহক সংখ্যা শাবিপ্রবি উপাচার্য ফরিদ উদ্দিনের অনিয়ম ও দুর্নীতির শ্বেতপত্র রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সরকারের উদ্যোগের ঘাটতি নেই ক্যাসিনো চালাতে দেয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তেল স্থাপনায় হামলার প্রতিশোধ নেবে সৌদি আরব অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করছে আওয়ামী লীগ মাদক ব্যবসায়ীদের চেনার উপায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ১১ জন খেলাঘরের জাতীয় পরিষদে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে অভিযানের নেপথ্যে করা ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যুৎ ব্যবস্থায় প্রাণহানির সম্ভাবনা ১৮ বছর পর জাপার আংশিক কমিটি গঠন আশুগঞ্জে আওয়ামী লীগের কিসের প্রতিবাদ সভা

সোমবার   ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯   আশ্বিন ৮ ১৪২৬   ২৩ মুহররম ১৪৪১

১০৫

একজন অনন্যা মায়ের গল্প

প্রকাশিত: ১২ মে ২০১৯  

১৯৮৯ সালের কথা। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার বাহাদুরপুর গ্রামের নবম শ্রেণির ছাত্রী মিনুয়ারা বেগমকে জোর করে বিয়ে করতে চান এক আত্মীয়। মিনুয়ারার বাবা আবদুল হাই তাঁর খালাতো বোন জোহরা আনিসকে বিষয়টি জানান। জোহরা আনিস তখন কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের বাংলা বিভাগের শিক্ষক। তিনি উদ্যোগী হয়ে ওই বিয়ে বন্ধ করেন। এরপর ১৯৯১ সালে মিনুয়ারা এসএসসি পাস করে। মিনুয়ারাকে নিজ বাসায় রাখেন। সেখান থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে স্নাতকোত্তর পাস করেন মিনুয়ারা। তিনি এখন একটি সরকারি কলেজের বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের শিক্ষক। শুধু মিনুয়ারা নন, এ রকম বহু ছেলেমেয়েকে পড়াশোনার ব্যবস্থা ও খরচের জোগান দেন জোহরা আনিস। তাঁদের পাশে থেকে সাহস দেন। জোগান আত্মপ্রত্যয়ী হওয়ার অনুপ্রেরণা।
নারীশিক্ষায় অসামান্য অবদানের জন্য জোহরা আনিসকে গত বছর সরকার বেগম রোকেয়া পদকে ভূষিত করে। ওই পদকের সম্মানীর ২ লাখ টাকাই তিনি নবীনগরের গুড়িগ্রাম ফাতেমা কুদ্দুস ফাউন্ডেশনকে দান করেন। তাঁর জন্ম ১৯৪৭ সালের ১৫ অক্টোবর অবিভক্ত কুমিল্লার ব্রাহ্মণবাড়িয়া মহকুমার নবীনগর উপজেলার গুড়িগ্রামে। পাঁচ বোন ও এক ভাইয়ের মধ্যে তিনি সবার বড়। তাঁর বাবা আবদুল কুদ্দুস ও মা ফাতেমা বেগম শিক্ষক ছিলেন। জোহরা আনিস ১৯৭০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৭৩ সালে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজে বাংলা বিভাগের প্রভাষক পদে যোগ দেন। তিনি ২০০৪ সালের ১৩ অক্টোবর একই কলেজের অধ্যক্ষ পদ থেকে অবসরে যান। গত বছরের ৯ ডিসেম্বর বেগম রোকেয়া দিবসে নারীশিক্ষা বিস্তারে অসামান্য অবদান রাখায় তাঁকে রাষ্ট্রীয় রোকেয়া পদক দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
এই বিভাগের আরো খবর