ব্রেকিং:
শেখ হাসিনায় আস্থা বিএনপি স্থায়ী কমিটির একাংশের খালেদার মুক্তিতে তারেকের অনীহা, হতভম্ব বিএনপি নেতৃবৃন্দ! নিউজ টুয়েন্টিফোরের ১ম বর্ষপূর্তি উদযাপন সরাইলে অবৈধ গাইড বই’র বিরুদ্ধে অভিযান বীর মুক্তিযোদ্ধা ইদ্রিছ মিয়া আর নেই সদর সার্কেলে নতুন অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের যোগদান ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অস্ত্র-মাদকসহ তিনজন গ্রেফতার গাছের চারার মধ্যে গাঁজা পাচারেও শেষ রক্ষা হলো না নারীর টিফিন বক্সে হাজার টাকার মাদক! নদী দূষণ ও দখল প্রতিরোধ বিষয়ক মতবিনিময় হত্যা মামলা তুলে নিতে বাদীর ওপর হামলা সরাইলে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে লাখো মানুষ! ভুল আসামির সাজা খাটার বিষয় খতিয়ে দেখার নির্দেশ বই পাঠ্যসূচি ও পরীক্ষায় বদল আনছে সরকার বন্ধ হয়ে যাচ্ছে দেশের তিন কোটি অবৈধ স্মার্টফোন! ইসলামে ধর্ষণ-হত্যা প্রতিরোধে করণীয় অনূর্ধ্ব-১৯ থেকে মহাতারকা হয়েছেন যারা ‘অন্তঃস্বত্ত্বা’ বুবলীকে ডলার দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র পাঠিয়েছেন শাকিব! দেশপ্রেমীরা দুর্নীতি করে না: পরশ করোনায় মৃতের সংখ্যা দুই হাজার ছাড়ালো
  • বুধবার   ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ||

  • ফাল্গুন ৭ ১৪২৬

  • || ২৪ জমাদিউস সানি ১৪৪১

৮১৩

উন্নয়নের নতুন ধাপে প্রবেশ করল বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া

প্রকাশিত: ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৯  

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘বঙ্গবন্ধু টানেল’ নির্মাণ কাজ শুরুর মাধ্যমে বাংলাদেশ উন্নয়নের নতুন ধাপে প্রবেশ করল। কর্ণফুলী নদীর তলদেশ দিয়ে যাওয়া এই টানেল চট্টগ্রামের দুই প্রান্তকে সংযুক্ত করবে। আর এই টানেল নির্মাণের মাধ্যমে উপমহাদেশের বুকে এক ইতিহাস সৃষ্টি করবে বাংলাদেশ।

শনিবার দুপুরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেলের বোরিং কার্যক্রম এবং লালখানবাজার থেকে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পর্যন্ত এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের পিলার পাইলিং প্রকল্পের ফলক উন্মোচন উপলক্ষে আয়োজিত সুধী সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। এসময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০১০ সালে এ টানেল নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছিলাম। টানেল নির্মাণে মহিউদ্দিন চৌধুরীর যুক্তি ছিল সেতু করা হলে নদীতে পলি জমবে। আজ তাকে স্মরণ করছি।

শেখ হাসিনা বলেন, চীন বাংলাদেশের জন্য এ প্রকল্পে শতভাগ ঋণ সহায়তা দিয়েছে। ২০১৬ সালের ১৪ অক্টোবর এ টানেলের নির্মাণকাজের উদ্বোধন করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন চীনের প্রেসিডেন্ট। এ টানেল আনোয়ারা উপজেলাকে চট্টগ্রাম শহরের সঙ্গে যুক্ত করবে। ১০ কিলোমিটার সড়ক করা গেলে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার চার লেন সড়কের সঙ্গে যুক্ত করা যাবে। এ টানেলের মাধ্যমে চট্টগ্রামের গোটা অঞ্চল সমৃদ্ধশালী হবে। জিডিপিতে আরো অনেক অর্জন যোগ হবে। আমরা জিডিপি ডাবল ডিজিটে নিয়ে যাবো। ২০২০ সালে জাতির পিতার জন্মবার্ষিকী উদযাপন করবো। মুজিব বর্ষ ঘোষণা করেছি। বাংলাদেশ বদ্বীপ। ২০৭১ সালে স্বাধীনতার শতবর্ষ। আমাদের প্রজন্ম উন্নত, সমৃদ্ধশালী দেশে তা উদযাপন করবে।

তিনি বলেন, চট্টগ্রামে প্রথম আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর আওয়ামী লীগ সরকার করে দিয়েছে। আরেকটি কাজ করে দিচ্ছি লালখান বাজার থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে। এটি পোর্ট সিটি। ব্যবসা-বাণিজ্য সব কিছু এ জায়গা থেকে হয়। চট্টগ্রামে বিশাল আকারে অর্থনৈতিক অঞ্চল হচ্ছে। শহরে যানজট কমানোর জন্য বাইপাস করে দিচ্ছি। টানেল নির্মাণ হলে চট্টগ্রামে যোগাযোগ, ব্যবসা-বাণিজ্য ও শিল্পায়ন হবে। কক্সবাজার পর্যটন শহর। যাতে পরিকল্পিতভাবে গড়ে উঠে সে লক্ষ্যে আলাদা কর্তৃপক্ষ করে দিয়েছি।

পদ্মা সেতু প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্বব্যাংক যা যা বলেছে সব ভুয়া, বানোয়াট। কত যে মানসিক যন্ত্রণা ভোগ করতে হয়েছে তা আপনারা বুঝবেন না। আজ পদ্মা সেতু দৃশ্যমান। মামলায় বিশ্বব্যাংক কোনো প্রমাণ দিতে পারেনি।

পদ্মা সেতুর নামকরণ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি নাম চাই না। জীবনে কোনো কিছু চাওয়া-পাওয়ার নেই। দেশের জন্য কাজ করতে এসেছি। আমার বাবা সারাটা জীবন এ দেশের জন্য কষ্ট করেছেন। আমার মাও কষ্ট করেছেন। তারা এদেশের গরিব-দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে চেয়েছেন। এ দেশের কোনো মানুষ গৃহহারা থাকবে না। প্রতিটি মানুষ শিক্ষা পাবে। এটা বাবা চাইতেন। আমরা রক্ত দিয়ে দেশের স্বাধীনতা এনেছি। আমরা বিজয়ী জাতি। সম্মানের সঙ্গে মাথা উঁচু করে বাঁচবে এ দেশের মানুষ। দুর্ভিক্ষের দেশ বলে বদনাম ছিল। বিশ্বের বিস্ময় হবে বাংলাদেশ। ৩০ লাখ শহীদের জীবনের বিনিময়ে এ স্বাধীনতা। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বাংলাদেশ পরিচালিত হচ্ছে। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস মানুষ জানতে পারছে।

উল্লেখ্য, মহানগরীর এবং মডেল শহর দেশের দক্ষিণ পূর্বাঞ্চলে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, এশিয়ান হাইওয়ে নেটওয়ার্কে সংযুক্তির উদ্দেশ্যে কর্ণফুলী নদীর তলদেশ দিয়ে নির্মাণ করা হচ্ছে স্বপ্নের টানেল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল। টানেলটি চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলাকে শহরাঞ্চলের সঙ্গে যুক্ত করবে। প্রকল্পটির সার্বিক অগ্রগতি শতকরা ৩২ ভাগ এবং ২০২২ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম শহরকে বাইপাস করে সরাসরি কক্সবাজারের সঙ্গে সহজ যোগাযোগ স্থাপিত হবে। এতে চট্টগ্রাম শহরের যানজট কমাসহ যাতায়াতের সময় অনেকাংশে কমে যাবে।

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
উন্নয়ন বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর