ব্রেকিং:
শুদ্ধ বানান চর্চার একুশে ফেব্রুয়ারি দলীয় পদ থেকে বহিষ্কারের দাবিতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অভিনব পন্থায় গাঁজা পাচার মনের আনন্দে চুল-দাড়ি কাটেন লিটন! কসবায় বিশেষ অবদানে একুশ জনকে সম্মাননা স্মারক প্রদান আলেম সমাজ ও সাংবাদিকদের মধ্যে সৃষ্ট সংকটের অবসান আলোকিত শান্তির সরাইল গড়ার কারিগর ওসি সাহাদাত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সরকারি কর্মচারীদের সম্মেলন ৭ম শ্রেণির ছাত্রী ধর্ষণে মামলা না করতে হত্যার হুমকী বিজয়নগরে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বাল্য বিবাহ বন্ধ দুর্নীতি মামলায় কারাগারে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সাবেক সিভিল সার্জন মাদক ব্যবসায় বাধা দেয়ায় ইউপি সদস্যের আঙুল কেটে ফেলার অভিযোগ বিডি ক্লিন তারুণ্যের শহীদ মিনার পরিচ্ছন্ন অভিযান সম্পন্ন ৮০৮ বছর পর এলো চোখ ধাঁধানো তারিখ প্রথম শ্রেণিতে ভর্তির আগে পড়তে হবে প্রাক-প্রাথমিক স্তরে! আমেরিকায় যাচ্ছে বাংলাদেশে তৈরি স্মার্টফোন ধর্ষণের শিকার তিন ছাত্রীকে দেয়া টিসি প্রত্যাহার ডাকঘর সঞ্চয়ের সুদহার পুনর্বিবেচনা হবে: অর্থমন্ত্রী মৃত ভেবে ফেলে গেল শ্বশুরবাড়ির লোকজন, বেঁচে গেলেন যুবক! সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজে যাওয়ার সুবর্ণ সুযোগ!
  • শুক্রবার   ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ||

  • ফাল্গুন ৮ ১৪২৬

  • || ২৬ জমাদিউস সানি ১৪৪১

৩৩৬

আমাদের প্রিয় নবী মুহাম্মদ (সাঃ) এর এক হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়া ঘটনা

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া

প্রকাশিত: ৩০ আগস্ট ২০১৯  

তিনদিন হলো হযরত মুহাম্মদ (সা.) মদিনাতে নেই। কেউ জানেনা নবীজি কোথায়।

ওমর ফারুক (রাযিঃ) মুক্ত তরবারি হাতে ঘোষণা দিলেন, “যদি নবীজির কোন কিছু হয় তবে আমি ওমর বলছি মক্কার একটা মুনাফিকও আস্ত শরীরে থাকবে না।“ এদিকে আবু বকর (রাযিঃ) বললেন থাম ভাই চল নবীজির তালাস করি। দুই জনে মদিনা থেকে মক্কার উদ্দেশ্যে রওনা হলেন। মরুভূমি পেরিয়ে পাহাড়ের এলাকাতে আসলেন। একটু দূরে দেখলেন এক রাখাল দাড়িয়ে আছে। আবু বকর (রাযিঃ) ও ওমর ফারুক (রাযিঃ) রাখালকে জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কি মুহাম্মদ (সা.) কে দেখেছ? রাখাল উত্তরে বলল আমি মুহাম্মদ (সা.) কে চিনি না এবং আপনাদেরও চিনি না।

তবে ঐ পাহাড়ের উপরে একজন লোক ইয়া উম্মাতি, ইয়া উম্মাতি বলে কাঁদছেন।

আবু বকর (রাযিঃ) ও ওমর ফারুক (রাযিঃ) বুঝতে বাকি ছিলনা ঐ লোক আর কেউ না দয়াল নবীজি হযরত মুহাম্মদ (সা.)। রাখাল আবার বলল লোকটির সাথে সাথে আমার সব উঠ, ভেড়াগুলোও কাঁদতেছে আর খাওয়া বন্ধ করে দিছে। আপনারা উনাকে নিয়ে যান তা না হলে আমার সব উঠ, ভেড়াগুলো কাঁদতে কাঁদতে মরে যাবে। আবু বকর (রাযিঃ) ও ওমর ফারুক (রাযিঃ) পাহাড়ে গিয়ে দেখলেন দয়াল নবীজি সেজদা-রত অবস্থায় ইয়া উম্মাতি, ইয়া উম্মাতি বলে কাঁদছেন।

নবীজির কষ্টে আবু বকর (রাযিঃ) বললেন ইয়া রসুলুল্লাহ আমি আবু বকর ইসলাম গ্রহণ করার পর থেকে যত আমল করেছি সব আপনার উম্মাতকে দিয়ে দিলাম, আপনি দয়া করে মাথা উঠান। নবীজি মাথা উঠায় না। এবার ওমর ফারুক (রাযিঃ) বললেন ইয়া রসুলুল্লাহ আমি ওমর যে আপনার মাথা নিতে গিয়ে নিজের মাথা দিয়ে দিয়েছি সে আপনার উম্মাতের জন্য সব আমল দিয়ে দিলাম। নবীজি মাথা উঠায় না। আবু বকর (রাযিঃ) বললেন ওমর কাজ হবে না রসুলুল্লাহকে একমাত্র ফাতিমা শান্ত করতে পারবে। তারা দুই জনে মদিনা দিকে ছুটছেন, পথে হযরত আলী (রাযিঃ) এর সাথে দেখা।

আবু বকর ও ওমর (রাযিঃ) বললেন সামনে গিয়ে লাভ নেই, রসুলুল্লাহকে শান্ত করতে ফাতিমাকে লাগবে। এবার তিন জনে ফাতিমার বাড়ির সামনে আসলেন আলী (রাযিঃ) ফাতিমাকে ডাক দিলেন, ফাতিমা বাইরে আসে স্বামীর চেহারা দেখে বললেন, আপনাকে এমন দেখাচ্ছে কেন, তবে কি মক্কার মুনাফিকরা আমার আব্বাজানকে মেরে ফেলছে? আলী (রাযিঃ) বললেন তুমি তাড়াতাড়ি চলো নবীজি ইয়া উম্মাতি, ইয়া উম্মাতি বলে কাঁদছেন, মাথা উঠাচ্ছেন না। ফাতিমা দৌরে গেলেন।

নবীজির কাছে গিয়ে বলছেন আব্বাজান আপনি সফরে যাবার আগে এবং সফর থেকে ফিরে প্রথমে আমাকে দেখতেন, আমার সাথে কথা বলতেন। কিন্তু আজ তিন দিন হল আপনার কোন খোঁজ নেই, আপনি কি আমাকে ভুলে গেছেন? নবীজি তাও মাথা উঠায় না। ফাতিমা (রাযিঃ) বললেন আব্বাজান আমি আপনার ফাতিমার সব নেকী আপনার উম্মাতকে দিয়ে দিলাম। নবীজি মাথা উঠায় না। নবীজির দুই পাশে হাসান, হুছাইন দাড়িয়ে বলতেছেন নানাজান উঠেন, নানাজান উঠেন। নবীজি মাথা উঠায় না। হঠাৎ ফাতিমা (রাযিঃ) বলে উঠলেন “আব্বাজান আপনি উঠেন আমি আপনার উম্মাতির জন্য আমি হাসান, হুছাইনকে কুরবানি করে দিলাম।“

আল্লাহ্ আকবার, আল্লাহ্ আকবার, আল্লাহ্ আকবার। এবার নবীজি মাথা উঠালেন আর বললেন ফাতিমা তুমি কি দোয়া করলা আমার আল্লাহ্ তোমার দোয়া কবুল করে ফেলছেন। নবী-রসূল, সাহাবিদের রক্ত ঝরানোর করনেই সেই দ্বীন আজ আপনার, আমার কাছে আসতে পেরেছে। আসুন আল্লাহ্ হুকুমগুলো নবীর তরীকায় পালন করার চেষ্টা করি। আমিন!!

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ধর্ম বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর