ব্রেকিং:
বঙ্গবন্ধুর কলকাতার জীবন নিয়ে উপন্যাস নতুন বছরেই আকাশে দেখা যাবে ‘ফেইক মুন’ মন্দিরে পুরোহিতের বদলে মন্ত্র পড়াচ্ছে রোবট! লোভনীয় চাকরি ছেড়ে বাইক নিয়ে দেশ-বিদেশ ঘুরে বেড়াচ্ছেন তরুণী শিশুর পানিশূন্যতার লক্ষণ ও করণীয় পাকা চুল টেনে তুলে অজান্তেই নিজের ক্ষতি করছেন? ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় যাত্রীবেশে ছিনতাই ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ছাত্রমৈত্রীর ৩৯তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পেট্রোবাংলা ভবনের আগুন নিয়ন্ত্রণে অবশেষে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ‘কোটিপতি পিয়ন’ আটক ভাষা আন্দোলন-মুক্তিযুদ্ধ চিত্রে রঙিন দেয়াল যাত্রীবেশে টাকা-মোবাইল ছিনতাই, তিন যুবক ধরা আশুগঞ্জে সড়ক র্নিমাণে নিম্নমানের সামগ্রী! ট্রাক্টরের ধাক্কায় ধসে পড়ল দেয়াল, নিহত ১ চুরি ঠেকাতে দিন-রাত পেঁয়াজ ক্ষেতে আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‌্যালি পরিবার কল্যাণ সেবা সপ্তাহ পালিত ঐতিহাসিক ৬ই ডিসেম্বর আখাউড়ায় মুক্ত দিবস পালিত মুক্ত দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা মুক্তিযোদ্ধা যাচাই বাছাইয়ে ১৭টি আবেদনেই বাতিল

শনিবার   ০৭ ডিসেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ২৩ ১৪২৬   ০৯ রবিউস সানি ১৪৪১

১৬২

আখাউড়ায় তিতাস ব্রিজে দর্শনার্থীদের ভীড়

প্রকাশিত: ১৪ আগস্ট ২০১৯  

আখাউড়া রেলওয়ে জংশনের কাছে তিতাস ব্রিজ এলাকা এখন হয়ে উঠেছে বিনোদন কেন্দ্র। অনেক মানুষ প্রতিদিন আসছেন। তিতাস নদীর ওপর দিয়ে ডাবল রেললাইন হওয়ায় তারা কিছু সময় এখানে ব্যয় করছেন। এখানকার সৌন্দর্য সব বিনোদন প্রেমী মানুষকে কাছে টানছে। তাদের যেন নিয়ে যায় নৈসর্গিকতায়। ঈদ বা বিভিন্ন অনুষ্ঠানে এখানকার গুরুত্ব আরো বেড়ে যায়। প্রতিটি উৎসবে ব্রিজ এলাকা বিনোদন পিয়াসীদের কাছে যেন পিকনিক। ঢাকা-চট্টগ্রাম রোডে চলছে ডাবল রেল লাইনের কাজ। অপরদিকে রয়েছে ঢাকা-সিলেট (আখাউড়া) বাইপাস রেলপথ। তা ছাড়া সামান্য দূরেই রয়েছে দেশ বরেণ্য প্রখ্যাত ওলি হযরত শাহপীর কল্লা শহীদ (রহ.) মাজার শরিফ। এসব কারণে তিতাস ব্রিজসংলগ্ন এলাকার গুরুত্ব দিন দিন বাড়ছে। তাই পৌর শহরসহ সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকার বিনোদন প্রেমিকদের পদচারণা ও ভালো লাগার প্রধান কেন্দ্রবিন্দু এখন তিতাস ব্রিজ।

ঈদের দিন বিকেলে রোদের তাপ কমতে শুরু করলেই বিভিন্ন স্থান থেকে অসংখ্য মানুষের সমাগম ঘটে। বিকেল থেকে সন্ধ্যা গড়িয়ে রাত অবধি তিতাস ব্রিজসংলগ্ন এলাকায় মানুষের আনাগোনা লক্ষ্য করা যায়। সেই সঙ্গে তিতাস পাড়ে জমে উঠেছে বুট বাদাম, চটপটি, চানাচুরসহ রকমারি ক্ষুদ্র দোকান। বাইপাস রেললাইন আর তিতাস ব্রিজের দুপাশে বর্ষার পানি থই থই করায় তিতাসের নৈসর্গিক রূপে মানুষের টান থাকে যেন সর্বক্ষণ। বিকেল হলেই স্ত্রী, পুত্র, পরিবারের সদস্য, বন্ধুবান্ধব, আত্মীয়স্বজনসহ নানা শ্রেণি-পেশার বিনোদন প্রেমীদের আনন্দ আর হইচই শুরু হয়। আনন্দঘন সময় স্মৃতিময় করতে অনেকেই মোবাইল ফোনে সেলফি তুলছেন। আবার কেউ বা গলা ছেড়ে মনের আনন্দে গাইছেন গান।

ঘুরতে আসা সদর উপজেলার জাদুঘর গ্রামের অ্যাডভোকেট রাসেল বলেন, পারিবারিক একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে স্ত্রী, পুত্র, আর মেয়ে নিয়ে ঢাকা থেকে গত তিন দিন আগে গ্রামের বাড়িতে এসেছি। সময় কম থাকায় দূরে কোথাও গিয়ে তাদের নিয়ে বেড়ানো যাচ্ছে না। তাই এখানে আমাদের চলে আসা। তিতাস ব্রিজসংলগ্ন এলাকায় মনোরম দৃশ্য দেখে তারা খুবই আনন্দিত।

সস্ত্রীক ঘুরতে আসা আখাউড়া উপজেলার একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মো. মৌসুমী আকতার  বলেন, যে পেশায় আছি ইচ্ছে করলে দূরে কোথাও বেড়ানো সম্ভব হয় না। তিতাস ব্রিজসংলগ্ন এলাকায় এখন বিনোদনবঞ্চিত মানুষের আনন্দের একটা স্থান হয়েছে। তাই মুক্ত হাওয়ায় বসে থেকে মনটাকে সতেজ করতে মূলত এখানে আসা।

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
এই বিভাগের আরো খবর