ব্রেকিং:
প্রভাবশালীর দাপটে বালু ফেলে নদী দখল টানা দ্বিতীয় বারের মত শ্রেষ্ঠ শিক্ষক জান্নাতুল রেলস্টেশনের মর্যাদা রক্ষায় ১১ দাবি ইউএনও উদ্যোগে ঘর পেল অসহায় পরিবার চিকিৎসকদের অক্লান্ত পরিশ্রম, রক্ত দিলেন সাধারণ মানুষ পৌরসভা নির্বাচনে জয়ীদের শপথ অনুষ্ঠিত ট্রেন দুর্ঘটনায় অপমৃত্যুর মামলা ট্রেন দুর্ঘটনার জেলা প্রশাসনের তদন্ত শুরু ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহত সবার পরিচয় মিলেছে বন্দুকযুদ্ধে ডাকাত সরদার নিহত ভোরে মসজিদের মাইকে আসে সহযোগিতার ঘোষণা একনজরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ট্রেন দুর্ঘটনা বিদ্যুৎ বিল কমিয়ে আনার কার্যকরী উপায় আয়কর মেলা শুরু বৃহস্পতিবার জামালপুরে ফেরীতে পার হয় ট্রেন, অবাক বিশ্ব নিমিষেই দূর করুন ছারপোকা! কোরআনে বর্ণিত নবী-রাসূল (আ.)-দের বিশেষ বিশেষ দোয়া ইমার্জিং এশিয়া কাপের ট্রফি উন্মোচন এখনো বেঁচে আছেন হুমায়ূন আহমেদ ‘প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটাক্ষ করলে ক্ষমা করবে না জনগণ’

বুধবার   ১৩ নভেম্বর ২০১৯   কার্তিক ২৯ ১৪২৬   ১৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

৪৯৮

অপরিকল্পিত নগরায়ণে বেড়েছে অগ্নিঝুঁকি

প্রকাশিত: ৭ এপ্রিল ২০১৯  

রাজধানীতে একের পর এক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ঝরে যাচ্ছে বহু প্রাণ। ধ্বংসস্তূপে পরিণত হচ্ছে রাষ্ট্রের মূল্যবান সম্পদ। পুরান ঢাকা থেকে শুরু করে অভিজাত এলাকার ভবনগুলোও বাদ পড়ছে না বহ্নিশিখা থেকে। দু-একটি ভবন বাদে এখানকার প্রায় সব ভবনই এখন অগ্নিঝুঁকিতে। অপরিকল্পিত নগরায়ণের ফলে পুরো ঢাকা যেন অগ্নিগর্ভে পরিণত হয়েছে। এ অবস্থায় কমপ্লায়েন্স কমিশন গঠনের প্রয়োজনীয়তার কথা বলছেন বিশেষজ্ঞরা।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, যেসব কারণে রাজধানী বাসযোগ্যতা হারাচ্ছে, অপরিকল্পিত নগরায়ণ সেগুলোর অন্যতম। নগরায়ণ পরিকল্পনা অনুযায়ী না হওয়ায় দুর্যোগ মোকাবেলায় যেসব অনুষঙ্গ নিশ্চিত করা প্রয়োজন, ভবনগুলোতে সেগুলো নেই বললেই চলে। কোনো ট্র্যাজেডির পর কিছু উদ্যোগ নেওয়া হলেও সেগুলো বাস্তবায়ন হয় না। গড়ে ওঠা অবকাঠামোগুলোর পর্যবেক্ষণেও যথাযথ কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা লক্ষণীয়। ফলে সার্বিকভাবে রাজধানীতে অগ্নিঝুঁকির মাত্রা বেড়েই চলছে।

চকবাজারের চুড়িহাট্টা, বনানীর এফ আর টাওয়ার, গুলশান ডিএনসিসি মার্কেট ও সর্বশেষ খিলগাঁওয়ের মিউনিসিপ্যাল সুপার মার্কেটের অগ্নিকাণ্ড এসবেরই প্রামাণ্য উদাহরণ।

বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্সের সাধারণ সম্পাদক ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের অধ্যাপক ড. আদিল মুহাম্মদ খান সমকালকে বলেন, প্রতিটি নগরেরই বৈশ্বিক মানদণ্ড থাকে। ঢাকা শহরে সেই মানদণ্ডের কিছুই নেই। যে সংস্থার যে দায়িত্ব তারা সেটা ঠিকমতো পালন করে না। কর্তৃপক্ষগুলোকে জবাবদিহির মধ্যে আনা হয় না। অগ্নিদুর্ঘটনা কী কারণে ঘটছে, কার গাফিলতিতে ঘটছে, তা উদ্ঘাটন করা গেলে এবং দায়ী ব্যক্তিদের শাস্তি দেওয়া হলে এসব দুর্ঘটনা কিছুটা কমত। এখানে এই জবাবদিহির বড় অভাব। এখন সরকারকেই শক্ত হতে হবে।

সাম্প্রতিক অগ্নিকাণ্ডগুলো পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, অগ্নিদুর্ঘটনা রোধে একটি ভবনে যেসব অগ্নিনিরাপত্তা সামগ্রী থাকা প্রয়োজন, নির্মাণ কাঠামো যেমন হওয়া প্রয়োজন- সেসবের অভাব রয়েছে। ভবনটি যে কাজে ব্যবহার হওয়ার কথা, কার্যত তা হয়নি। অনুমোদন ছাড়াই এবং ঝুঁকি বিবেচনা না করেই ভবনের তলার সংখ্যাও বাড়ানো হয়েছে। ভবনের বাসিন্দাদের অগ্নিনির্বাপণ সম্পর্কে সম্যক ধারণাও ছিল না। এতে হতাহতের সংখ্যা বেড়েছে।

বাংলাদেশ এনভায়রনমেন্টাল ল'ইয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বেলা) সাম্প্রতিক এক গবেষণায় বলা হয়েছে, গত ১০ বছরে রাজধানীসহ সারাদেশে ১৬ হাজার অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এগুলোতে এক হাজার ৫৯০ জন প্রাণ হারিয়েছেন। এ প্রসঙ্গে বেলার নির্বাহী পরিচালক সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, 'ঢাকায় অপরিকল্পিতভাবে ভবন গড়ে তোলা হচ্ছে। ভবনগুলোতে যথেষ্ট পরিমাণে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে না। আকাশচুম্বী ভবনগুলো একটি আরেকটার গা ঘেঁষে আছে। তাই দিন দিন আগুনের কাছে অসহায় হয়ে পড়ছে ঢাকা।'

২০১৭ ও ২০১৮ সালে রাজধানীর ভবনগুলোর অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে জানতে দুই হাজার ৬১২টি ভবনে জরিপ চালায় ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স। জরিপে দেখা যায়, এগুলোর মধ্যে মাত্র ৭৪টি ভবনে যথাযথ অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা রয়েছে। দুই হাজার ৪৪৮টি ভবনে অগ্নিনির্বাপণের কোনো ব্যবস্থাই নেই এবং বাকি ৯০টি ভবনে রয়েছে অল্পস্বল্প ব্যবস্থা।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অগ্নিকাণ্ডসহ যে কোনো দুর্যোগ ঝুঁকি এড়াতে একটি অবকাঠামো কীভাবে গড়ে উঠবে, সে ব্যাপারে ইমারত নির্মাণ বিধিমালা ও বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোডে (বিএনবিসি) বিস্তারিত উল্লেখ আছে। যদিও ইমারত নির্মাণ বিধিমালাটিও আধুনিকায়ন করা প্রয়োজন। তারপরও বিদ্যমান নিয়মগুলো অনুসরণ করে ভবন তৈরি করা হলে এবং সে অনুযায়ী অগ্নিনির্বাপক সামগ্রী থাকলে অগ্নিঝুঁকি থেকে অনেকটাই নিরাপদ থাকতে পারেন নগরবাসী। তবে এ ক্ষেত্রে ভবনের বাসিন্দাদের সচেতনতা এবং নূ্যনতম অগ্নিনির্বাপণের প্রশিক্ষণও থাকতে হবে। এর সবকিছুরই অভাব রয়েছে।

এ প্রসঙ্গে স্থপতি ইকবাল হাবিব রাজউকের তীব্র সমালোচনা করে বলেন, রাজউককে উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ না বলে রাজধানী অবনয়ন কর্তৃপক্ষ বলাই ভালো। ভবন নির্মাণের সময় নকশা অনুযায়ী বিদ্যুতায়ন ও এয়ারকন্ডিশন ব্যবস্থা, ফায়ার অ্যালার্ম সিস্টেম, বহির্গমনের পথ ও স্বয়ংক্রিয় অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা আছে কি-না তা নিশ্চিত করতে হবে রাজউককেই। রাজউক সেটা পারেনি। এ অবস্থায় রাজধানীর ভবনগুলোয় সব ধরনের দুর্যোগ মোকাবেলায় একটি কমপ্লায়েন্স কমিশন গঠনের সময় এসেছে। যেভাবে রানা প্লাজার পর গার্মেন্ট কারখানাগুলোতে কমপ্লায়েন্স নিশ্চিত করা হয়েছে, ঠিক একইভাবে আবাসিক এবং বাণিজ্যিক ভবনেও কমপ্লায়েন্স নিশ্চিত করতে হবে।

এ প্রসঙ্গে স্থপতি মোবাশ্বের হোসেন বলেন, তারা ঢাকা শহরে একটি অগ্নিগর্ভে বাস করছেন। মাটির নিচেও আগুন, ওপরেও আগুন। মাটির নিচে গ্যাস, বিদ্যুৎ ও টেলিফোনের লাইন; ওপরেও বিদ্যুতের লাইন, বিভিন্ন তারের লাইন। এসব লাইনে যদি কোনো সময় আগুন লেগে গ্যাসপাইপের সঙ্গে সংযুক্ত হয়ে যায়, তাহলে পুরো ঢাকা শহর অগ্নিকুণ্ডে পরিণত হবে। তখন কোন ভবন বাদ দিয়ে কোনটার আগুন নেভাবে ফায়ার সার্ভিস? আসলে ঢাকা শহরের যে অবস্থা, তাতে প্রতিদিনই আগুন লাগার কথা। কিন্তু আল্লাহর বিশেষ রহমতের কারণে লাগছে না।

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব ডিজাস্টার প্রিভেনশন এবং আরবান সেফটির পরিচালক অধ্যাপক ড. তাহমিদ এম আল হুসাইন বলেন, পুরান ঢাকা ও নতুন ঢাকা সব জায়গাতেই অগ্নিদুর্ঘটনা ঘটছে। আগুন কেন লাগে, কীভাবে ছড়ায়, তার বৈজ্ঞানিক বিশ্নেষণ করলেই কারণগুলো বেরিয়ে আসবে। রাজধানীর ভবনগুলোতে কোনো অ্যাভোকেশন প্ল্যান এবং অ্যাভোকেশন রুট নেই। তাই কোনো দুর্যোগ এলে ভবনের বসবাসকারীরা বুঝতে পারেন না কী ঘটতে যাচ্ছে, কোন পথে বেরোতে হবে। ভবনগুলোতে ফায়ার অ্যালার্ম নেই। নেই ফায়ার স্টিংগুইশার। যেগুলো থাকে সেগুলোর মেয়াদ থাকে না। থাকলেও বাসিন্দারা ব্যবহার জানেন না। ভবনগুলোতে ফায়ার প্রুফ দরজা থাকার কথা- যা তাপ ও দাহ্যতা থেকে মানুষকে নিরাপত্তা দেবে। যদিও বাস্তবে তা নেই। এসব কারণে হতাহতের সংখ্যা বাড়ছে।

ড. তাহমিদ বলেন, ভবনগুলোতে ফায়ার হাইড্রেন্ট ও স্ট্রিংলার সিস্টেম থাকতে হবে। কোনো তলার তাপমাত্রা ৬২ ডিগ্রি সেলসিয়াস ক্রস করলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে জেনারেটর চালু হবে। সঙ্গে সঙ্গে জকিপাম্প চালু হবে। স্বয়ক্রিয়ভাবে স্ট্রিংলার সিস্টেমের মাধ্যমে পানি ঝরে পড়তে শুরু করবে। ধোঁয়া শনাক্তকারী যন্ত্র থাকতে হবে। একটি মাত্রার পর গেলে সেটাও সিগন্যাল দিতে থাকবে। কিন্তু রাজধানীর ভবনগুলোতে এসবের কিছুই দেখা যায় না।

রাজউক সূত্রে জানা গেছে, রাজউক আওতাধীন এলাকায় ২৫ লাখ স্থাপনা রয়েছে। ছয়তলা পর্যন্ত স্থাপনা আছে ২১ লাখ ৫০ হাজার। সাততলা থেকে ২৪-২৫ তলা ভবন আছে ৮৮ হাজার। এগুলোর মধ্যে ১০ তলা এবং ১০ তলার বেশি উচ্চতাসম্পন্ন বহুতল ইমারত রয়েছে প্রায় চার হাজার। এগুলোর মধ্যে তিন হাজার ৭৭২টি ভবনই ব্যাপকভাবে অগ্নিঝুঁকিতে। ২০১৭ সালে ফায়ার সার্ভিস রাজধানীর শপিংমল, মার্কেট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক, হাসপাতাল, আবাসিক হোটেল ও মিডিয়া সেন্টারসহ বিভিন্ন অবকাঠামোর ওপর পরিচালিত জরিপে এই চিত্র উঠে আসে। ফায়ার সার্ভিস বলছে, এসব প্রতিষ্ঠানের অগ্নিনিরাপত্তা সংক্রান্ত ফায়ারসেফটি প্ল্যান নেই। ওই সময় তিন হাজার ৮৫৫টি প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করা হয়। তখন সরকারি-বেসরকারি ৪৩৩টি হাসপাতালের মধ্যে ১৭৩টিকে খুবই ঝুঁকিপূর্ণ ও ২৪৯টিকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। ৩২৫টি আবাসিক হোটেলের ৭০টি 'খুবই ঝুঁকিপূর্ণ' এবং ২৪৮টি ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। ২৬টি মিডিয়া ভবনের মধ্যে মাত্র দুটির অগ্নিনিরাপত্তা প্রস্তুতি সন্তোষজনক বলে জানা যায়।

ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের পরিচালক মেজর একেএম শাকিল নেওয়াজ বলেন, এসব প্রতিষ্ঠানকে নোটিশ দেওয়া হয়েছে। তারা বিষয়টি আমলে নেয়নি। সর্বশেষ বনানীর এফ আর টাওয়ারের অগ্নিকাণ্ডের পর রাজউক মাঠে নেমেছে।

এসব প্রসঙ্গে রাজউকের চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান বলেন, এতদিন কী হয়েছে না হয়েছে সেই অতীতে ফিরে যাব না। এখন থেকে আপনারা দেখতে পারবেন, রাজউক কী করছে। এখন পিছু হটার কোনো সুযোগ নেই। এখন রাউজকের ২৪টা দল প্রতিদিন মাঠ পর্যায়ে গিয়ে ভবনের সব ধরনের অনিয়মের তথ্য সংগ্রহ করছে। এসব রিপোর্ট পাওয়ার পর ব্যবস্থা নেওয়া শুরু হবে। অনিয়ম করে কোনো ভবন কেউ টিকিয়ে রাখতে পারবে না।

সরেজমিন চিত্র: সরেজমিনে পুরান ঢাকার আজিমপুরের ২৪ বিসি দাস স্ট্রিটের ভবনে গিয়ে দেখা যায়, পুরনো ভবনটি ঘেঁষে বিদ্যুতের তার। পাশাপাশি আরও কিছু টেলিফোন ও ডিশের লাইনের তার। পুরনো ভবনটিতে যাতায়াতের রাস্তাও খুবই সরু। কোনো রকমে দু'জন মানুষ পাশাপাশি যেতে পারে। ভবনটিতে আগুন লাগলে সেখানে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি প্রবেশের কোনো সুযোগ নেই। ভবন মালিক নাম প্রকাশ না করে সমকালকে বলেন, এভাবেই তো চলছে।

রায় একই চিত্র দেখা গেল চকবাজারের ১৪ নম্বর নন্দকুমার দত্ত রোডের আসিকিন টাওয়ারে। ছয়তলা মার্কেট কাম বাণিজ্যিক এই ভবনে অগ্নিনির্বাপণের কোনো সুযোগ নেই। নিচতলার ইভা হাওয়াই চপ্পলের শোরুমের মালিক মোস্তফা বলেন, আগুন নেভানোর কোনো সামগ্রী নেই। কেউ কখনও তাদের এগুলো বলেননি। চুড়িহাট্টায় আগুন লাগার পর খালি টাস্কফোর্স আসছে। এখন তাদের ভয়ে আছি।

গত ৩ এপ্রিল রাজউকের একটি পরিদর্শক দল বনানীর এফ আর টাওয়ারের আশপাশের কয়েকটি ভবন পরিদর্শন করে। এ সময় একটা ছাড়া সবগুলো ভবনেই কমবেশি ত্রুটি পাওয়া যায়। এগুলোর মধ্যে ডেল্টা ডালিয়া ভবনের সিঁড়ির অবস্থা ভালো নয়। ভবনের নকশায় যে খালি জায়গাটুকু দেখানো হয়েছিল, সেখানে এটিএম বুথ ও দোকান বসানো হয়েছে। পাশাপাশি আবাসিক ভবনে চলছে বাণিজ্যিক কার্যক্রম। পরিদর্শক দলের নেতৃত্বদানকারী রাজউকের পরিচালক মো. মামুন মিয়া জানান, যেসব অনিয়ম আছে, সেগুলো নির্মূলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ডেল্টা ডালিয়ার মালিক এবি শরিফুদ্দীন বলেন, ভবনের অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থায় কিছু ঘাটতি আছে। রাজউকের দল কিছু বিষয় যুক্ত করতে বলেছে। সে অনুযায়ী ঘাটতি পূরণের ব্যবস্থা নিচ্ছি।

আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
আলোকিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া
এই বিভাগের আরো খবর